ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে—এমন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের বিদ্যমান সিসি ক্যামেরা সচল রাখার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠিয়েছেন।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণের তারিখের আগেই ভোটকেন্দ্রগুলো ভোটার চলাচলের উপযোগী করে প্রস্তুত করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সংস্কার সম্পন্ন করতে হবে। যেসব ভোটকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে বিদ্যমান সিসিটিভি সংযোগ সচল রাখতে হবে। যেসব কেন্দ্রে সিসিটিভি নেই, সেসব কেন্দ্রের পরিচালনা পর্ষদ বা কর্তৃপক্ষকে অন্তত ভোটের দিনের জন্য সিসিটিভি স্থাপনের ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষ ভোটব্যবস্থার ব্যবস্থা রাখতে হবে—বিশেষ করে সাইক্লোন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত কেন্দ্রগুলোতে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি এবং আপিল নিষ্পত্তি হবে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। নির্বাচনী প্রচার চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।



