tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ নয়, সরকারকে বিকল্প ভাবতে হবে

সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধ নয়, সরকারকে বিকল্প ভাবতে হবে

দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করতে সব বিপণিবিতান ও দোকান আবারও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত মেনে নিলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তারা বলছেন, সাধারণত সন্ধ্যার পরই ক্রেতাদের সিংহভাগ বিপণিবিতানে আসেন কেনাকাটা করতে। পিক সময়ে দোকান বন্ধ রাখলে ব্যবসায় ধস নামবে তাদের। এমতাবস্থায় দোকান খোলা রাখার সময়সীমা বিষয়ে সরকারকে বিকল্প ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, দোকানপাট বন্ধে সরকারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পর বড় ধরনের হোঁচট খেয়েছেন তারা। ফের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ব্যবসায় আরও ধস নামবে বলে আশঙ্কা তাদের।ব্যবসায়ীরা বলছেন, সন্ধ্যা ৭টায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাবে এবারের ঈদুল আজহায় গত কোরবানির ঈদের চেয়ে বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ কমেছে। তাই ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, সন্ধ্যায় দোকান বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে সরকারের বিকল্প পন্থা অবলম্বন করা উচিত। ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনে দুপুর ১২টায় দোকান খুলে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা করতে চান।জানতে চাইলে ফ্যাশন হাউজ সাদাকালোর অন্যতম উদ্যোক্তা এবং ফ্যাশন এন্টারপ্রেনার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এফইএবি) সভাপতি আজহারুল হক আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ রাখার প্রভাব আমরা এরই মধ্যে ঈদের মৌসুমে দেখেছি। ঈদ উপলক্ষে সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হলেও পরিস্থিতির খুব বেশি উন্নতি হয়নি। কারণ ক্রেতাদের আচরণ ও বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব আগেই তৈরি হয়ে গেছে। বাস্তবতা হলো, আমাদের প্রায় ৬০ শতাংশ ক্রেতাই সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করতে আসেন। ফলে সন্ধ্যার পর ব্যবসার সুযোগ সীমিত হলে বিক্রিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।’তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুধু শপিংমল ও মার্কেটকে লক্ষ্যবস্তু করা যৌক্তিক নয়। দেশের বিভিন্ন খাত ও স্থাপনায় বিদ্যুৎ ব্যবহার অব্যাহত থাকলেও বিধিনিষেধের মূল চাপ পড়ছে খুচরা ব্যবসার ওপর। অথচ শপিংমল ও মার্কেটগুলোই অর্থনীতিতে অর্থের প্রবাহ ও বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র।’