জাতীয় সংসদে আরও ১০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এসব কমিটির কোনো একটিরও সভাপতি পদে বিরোধী দলের কোনো সদস্যকে রাখা হয়নি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি আলাদাভাবে ১০টি কমিটি গঠনের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবগুলো পাস হয়।
এর আগে গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আরও ১০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেসব কমিটির একটিরও সভাপতি পদ বিরোধী দলকে দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদে বিরোধী দলের অধিকাংশ সদস্য আসন ছেড়ে সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তবে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেননি।
জাতীয় সংসদে মোট ৫০টি সংসদীয় কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত এবং ১১টি বিষয়ভিত্তিক সংসদীয় কমিটি। রোববারের ১০টি কমিটি নিয়ে এখন পর্যন্ত ৩৬টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটির মধ্যে কেবল সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতি পদে বিরোধী দলের একজন সদস্যকে রাখা হয়েছে।
রোববার গঠিত কমিটিগুলোর মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আবদুস সালাম পিন্টুকে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হয়েছেন আবুল খায়ের ভূঁইয়া। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে মুন্সী রফিকুল আলমকে।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হয়েছেন এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন জয়নুল আবদিন ফারুক।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে খায়রুল কবির খোকনকে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন মাহমুদা হাবীবা। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে বরকতউল্লা বুলুকে। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হয়েছেন আবদুল ওয়াদুদ ভূঁঞা।
এদিকে, রোববার কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পরিবর্তে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেনকে সভাপতি করা হয়েছে।



