tanaka

জন্মদিনে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছার জবাবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের...
প্রচ্ছদসারাদেশশেখ হাসিনা ও তারিক সিদ্দিকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শেখ হাসিনা ও তারিক সিদ্দিকসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুমের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার তৎকালীন প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাসহ মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

বুধবার বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার জন্য আগামী ২২ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, শেখ হাসিনার সময় বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী ও নাগরিকদের ‘গুম’ করে টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি)-এ আটক রাখার অভিযোগ রয়েছে।

গুম সংক্রান্ত একটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ৫টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। অপর মামলায় তাদের সঙ্গে আরও ১১ জনকে যুক্ত করে একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, “তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, শেখ হাসিনার নির্দেশেই এই গুমের ঘটনা ঘটত। বিরোধী মত দমন ও ফ্যাসিবাদী শাসন পাকাপোক্ত করতেই গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।”

তিনি আরও জানান, তদন্তে অন্তত ছয়টি সংস্থার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে, যারা গত ১৬ বছর ধরে তিন ধাপে এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ‘গুম কমিশন’-এর রিপোর্টও সংযুক্ত করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর—বিশেষ করে ডিজিএফআই ও র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিটের—সক্রিয় ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ কেউ এখনও সরকারি দায়িত্বে বহাল আছেন।

শুনানি শেষে গুমের শিকার পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের সামনে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন। বর্তমানে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।