হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ফলের চালানের কাঠের পাটাতনের ভেতর লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি স্বর্ণের বার উদ্ধারের ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো শাখার নিরাপত্তা, পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া এবং অভ্যন্তরীণ তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ কীভাবে বিদেশ থেকে আসা ফলের চালানের সঙ্গে কার্গো ভিলেজ পর্যন্ত পৌঁছাল, চালানটি কোন কোন ধাপ অতিক্রম করেছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল—এসব বিষয় এখন তদন্তের আওতায় আসছে।
মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনায় জানা যায়, গত ১৯ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের বর্তমান আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের গেট ৮(এ)-এর ভেতরে বিজিএমইএ শেডের পেছনে একটি সন্দেহজনক ফলের চালান শনাক্ত করা হয়। পরে স্ক্যানিং ও ইনভেন্টরির জন্য চালানটি কাস্টমস হাউস, ঢাকার অধীন এক্সপ্রেস সার্ভিস ইউনিটের গেট-৯ এলাকায় নেওয়া হয়।
প্রথম দফায় ফলের চালানে সন্দেহজনক কোনো বস্তু পাওয়া যায়নি। তবে চালানটি যে কাঠের সমতল পাটাতনের ওপর রাখা ছিল, সেটি নিয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে পাটাতনটি স্ক্যানিং মেশিনে পরীক্ষা করলে এর ভেতরে স্বর্ণসদৃশ ধাতব বস্তুর উপস্থিতির প্রাথমিক আলামত পাওয়া যায়।
এরপর বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে কাঠের পাটাতন খুলে হলুদ রঙের স্কচটেপে মোড়ানো ১৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি বারের ওজন এক কেজি করে। ফলে মোট উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৬ কেজি। জব্দ তালিকায় বারগুলোর গায়ে সিরিয়াল নম্বর এবং কয়েকটির গায়ে ‘KILO’ লেখা থাকার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
পরে স্বর্ণ পরীক্ষক ও দি নিউ ইসলাম জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মাহফুজুল ইসলাম বারগুলোর ওজন ও বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করে প্রত্যয়ন দেন। ওই প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতেই স্বর্ণের চালানটি জব্দ করা হয়।
কার্গো এলাকায় নেই কাস্টমসের নিজস্ব স্ক্যানার
১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের বিষয়ে ঢাকা কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, কার্গো এলাকায় কাস্টমসের নিজস্ব স্ক্যানার নেই। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই ম্যানুয়ালি পণ্য পরীক্ষা করতে হয়।
তার ভাষ্য, স্বর্ণের বারগুলো ফলের চালানের কাঠামোর মধ্যে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টমস কর্মকর্তারাই চালানটি শনাক্ত করে স্বর্ণ উদ্ধার করেন।
কার্গো এলাকায় স্ক্যানিং মেশিন স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে কাস্টমসের কোনো কর্মকর্তা জড়িত নন বলেও দাবি করেন এই কর্মকর্তা।
অন্যদিকে কার্গো ভিলেজের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ বিভাগের মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে রয়েছে। কার্গো ভিলেজের নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল—এমন অভিযোগও তিনি নাকচ করেন।
তবে ফলের একটি চালানের কাঠের পাটাতনের ভেতর ১৬ কেজি স্বর্ণ লুকিয়ে কার্গো এলাকায় পৌঁছানোর ঘটনায় পণ্য পরীক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
কারা যুক্ত ছিল, খতিয়ে দেখার দাবি
মামলার নথি অনুযায়ী, স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান Food Link-এর স্বত্বাধিকারী মো. গোলাম মোস্তফাকে আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত অন্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
চালানটি খালাসের জন্য ASYCUDA World System-এ A. RAZZAQUE TRADING নামের একটি সিএন্ডএফ এজেন্টকে ট্যাগ করা ছিল। সংশ্লিষ্ট এয়ারওয়ে বিলের নথিতে FASTRACK CARGO SOLUTIONS LTD. নামের একটি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার প্রতিষ্ঠানের তথ্যও পাওয়া গেছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নথি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মাস্টার ও হাউস এয়ারওয়ে বিলের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্য ১৯ জুলাই ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে একজন সিনিয়র এক্সিকিউটিভের কাছে ডেলিভারি দেওয়া হয়।
মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, সন্দেহজনক চালানটির প্রাথমিক কার্যক্রমের সময় সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি হিসেবে একজন কাস্টমস সরকার উপস্থিত ছিলেন। এ সময়ের কার্যক্রম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিরাপত্তা প্রতিনিধির বডি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়।
অভিযান ও জব্দ প্রক্রিয়ার ভিডিও ফুটেজও বডি ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চাহিদার ভিত্তিতে এসব ফুটেজ পেনড্রাইভে সরবরাহ করা হয়েছে বলে কাস্টমসের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।
এখন তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে—চালানটি বিমানবন্দরে আসার পর কোন কোন কর্মকর্তা, কর্মচারী, সিএন্ডএফ প্রতিনিধি, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার বা অন্য ব্যক্তি এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন এবং কার্গো ভিলেজে প্রবেশ থেকে স্বর্ণ শনাক্ত হওয়া পর্যন্ত চালানটি কী কী নিরাপত্তা ধাপ অতিক্রম করেছে।
এক বছরে উদ্ধার ৬০ কেজির বেশি স্বর্ণ
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোট ৬০ কেজি ১৮৭ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।
স্বর্ণ উদ্ধারের এই পরিমাণ বিমানবন্দরে চোরাচালানের প্রবণতা এবং কার্গো নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বড় চালান শনাক্ত হওয়ার পর কার্গো এলাকায় পণ্য পরীক্ষার সক্ষমতা, স্ক্যানিং ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এর মধ্যেই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, ঘুষ, চাঁদাবাজি, রোস্টারে প্রভাব বিস্তার, পণ্য ছাড়করণে অনিয়ম এবং রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ সামনে এসেছে।
৩৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাক্ষর করা অভিযোগ
সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, কার্গো শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. মইনউদ্দিন লোটাস, কর্মী নম্বর পি-৩৬৭৩৯-এর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, কার্গো শাখার সিএন্ডএফ এজেন্ট, রপ্তানি পণ্যের ফরওয়ার্ডার, হেলপার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ বা চাঁদা আদায় করা হতো। দাবিকৃত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে বদলি, চাকরিচ্যুতি কিংবা প্রশাসনিক হয়রানির ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কার্গোর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেকশনে দায়িত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে মইনউদ্দিন প্রভাব বিস্তার করতেন। বিশেষ করে স্পেস, ফরেন ক্যারিয়ার, গেট এবং ইমপোর্ট সিআর কাউন্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তার বারবার ডিউটি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে কার্গো বিভাগের ৩৭৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বাক্ষর রয়েছে। অভিযোগকারীরা প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এতে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে কার্গো পণ্য ছাড়করণে কাগজপত্র জালিয়াতি, ভুয়া এক্সিট নম্বর ব্যবহার এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫-এর একটি ঘটনায় চারটি শিপমেন্টের কাগজপত্র ও এক্সিট নম্বর নিয়ে অনিয়ম করা হয়েছিল। বিমান কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্তে দায় নির্ধারণ করা হলেও পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়।
১,৯২১ কেজি পণ্যের হদিস নিয়েও অভিযোগ
অভিযোগপত্রে চীন থেকে আমদানি করা ইলেকট্রনিক পণ্যের একটি চালান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এতে এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৭৮৪-৬৯২৫৩৩৬৫-এর বিপরীতে ৫৬ পিস এবং মোট ১ হাজার ৯২১ কেজি পণ্যের উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই সিএন্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে ওই পণ্য বের করে নেওয়া হয়। পরে পণ্যগুলোর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও কাস্টমসের রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
এ ছাড়া এয়ারওয়ে বিল নম্বর ৬১৯-১০৭৭১৬৮১-এর বিপরীতে ১৩২ পিস এবং প্রায় ৩ হাজার ২৩৯ কেজি কার্গো পণ্য নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, জাল কাগজপত্র ও সরকারি রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে এসব পণ্য ছাড় করা হয়। সংশ্লিষ্ট সময়ে মইনউদ্দিন ডেলিভারি গেটে দায়িত্বে ছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট এয়ারওয়ে বিল, ইনভয়েস, প্যাকিং লিস্ট, কাস্টমস ডকুমেন্ট, ডেলিভারি রেকর্ড, এক্সিট নম্বর এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।
রোস্টার ও ‘বকশিশ’ নিয়েও প্রশ্ন
অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত বলে দাবি করা হাতে লেখা দুটি বক্তব্যেও কার্গোতে অতিরিক্ত কাজের বিনিময়ে টাকা পাওয়ার প্রসঙ্গ রয়েছে।
মো. আলী-আশরাফুজ্জামান, জি-৫২৭৯৬-এর নামে থাকা একটি বক্তব্যে ২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে সেটিকে কাজের বিনিময়ে ‘বকশিশ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সেখানে মোরশেদ ও আশরাফের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার কথাও বলা হয়েছে।
অন্য একটি বক্তব্যে কার্গো হেলপার খোরশেদ আলম, জি-৫২৫০৯-এর নামে অতিরিক্ত কাজ, নাইট চেকিং ও মালামাল লোডিংয়ের সঙ্গে বকশিশ পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
কার্গো বিভাগের রোস্টার প্রণয়ন ও দায়িত্ব বণ্টনের স্বচ্ছতা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একই কর্মকর্তা নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেকশনে বারবার দায়িত্ব পেয়েছেন এবং স্বাভাবিক রোটেশন অনুসরণ করা হয়নি। নিরাপত্তা বিভাগেও একই এলাকার একাধিক পোস্টে ধারাবাহিকভাবে দায়িত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগ যাচাই করতে অন্তত গত এক বছরের ডিউটি রোস্টার, সংশোধিত রোস্টার, উপস্থিতি রেজিস্টার এবং দায়িত্ব পরিবর্তনের অনুমোদনপত্র পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কার্গো শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মো. মইনউদ্দিন লোটাসের বক্তব্য জানতে চাওয়া হলে তিনি অভিযোগগুলোর বিষয়ে স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়গুলো যাচাই করছেন। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে মইনউদ্দিন লোটাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে এবং বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সব মিলিয়ে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনাটি শুধু একটি চোরাচালান মামলা নয়; বিমানবন্দরের কার্গো ব্যবস্থাপনায় স্ক্যানিং সক্ষমতা, পণ্য ছাড়করণ প্রক্রিয়া, দায়িত্ব বণ্টন এবং অভ্যন্তরীণ নজরদারি কতটা কার্যকর—সেসব প্রশ্নও সামনে এনেছে। এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে সংশ্লিষ্ট নথি, সিসিটিভি ও বডি ক্যামেরার ফুটেজ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা সমন্বিতভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।



