tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদখেলারাজনীতি থেকে সরে এসেছেন মাশরাফি ধারণা আসিফ মাহমুদের

রাজনীতি থেকে সরে এসেছেন মাশরাফি ধারণা আসিফ মাহমুদের

গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দলটির অনেক নেতাকর্মী দেশত্যাগ বা আত্মগোপনে গেলেও সংসদের সাবেক হুইপ ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা দেশেই অবস্থান করছেন। যদিও তিনি রাজনীতি থেকে কার্যত সরে দাঁড়িয়েছেন বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসিফ মাহমুদ মাশরাফির প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, মাশরাফির বিরুদ্ধে কোনো গুরুতর অভিযোগ নেই এবং তার রাজনৈতিক অবস্থান থেকেও তিনি সরে এসেছেন বলে মনে হচ্ছে। “আমার মনে পড়ে, ফেসবুকে উনি এটা স্পষ্ট করেছিলেন,”— বলেন তিনি।

তবে মাশরাফি ফেসবুকে সরাসরি তার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের কথা বলেননি। বরং গত বছরের আগস্টে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “যখন রাজনীতিতে ছিলাম, ক্রিকেট বোর্ডে থাকার চেষ্টা করিনি। এখন রাজনীতিতে নেই…” এই মন্তব্যে তিনি রাজনীতিকে নিজের অতীত বলেই উল্লেখ করেন।

গত এক বছরে মাশরাফির কোনো রাজনৈতিক পোস্ট বা দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ দেখা যায়নি। তার দেওয়া ১৪টি ফেসবুক পোস্টের একটিতেও আওয়ামী লীগের নাম নেই। অন্যদিকে, সাকিব এই সময়ে আওয়ামী লীগ ও জুয়াভিত্তিক ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত একাধিক পোস্ট ও কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

সাকিবের বিরুদ্ধে শেয়ার বাজার কেলেঙ্কারি, ফিন্যানশিয়াল ফ্রড এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যামামলার অভিযোগ তুলে ধরে আসিফ মাহমুদ বলেন, “এসব অভিযোগের কারণেই সাকিব আলোচনায় এসেছে, তাকে টার্গেট করা হয়নি।”

মাশরাফি প্রসঙ্গে শেষ পর্যন্ত ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, “যদি তিনি রাষ্ট্রীয় আইনে কিছু করে থাকেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তবে তিনি যেহেতু অনেক আগেই খেলা এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম থেকে সরে গেছেন, তাই এখন আলোচনায় নেই।”