tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজধানীরাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও একনজর ম্যাডামের কবরের স্থান দেখতে এসেছি

রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও একনজর ম্যাডামের কবরের স্থান দেখতে এসেছি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তার স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে—এমন খবরে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে দলটির নেতা-কর্মীরা আসছেন। সকাল থেকে জিয়া উদ্যানে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে জিয়া উদ্যানে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

সকাল থেকে সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীদের প্রবেশ করতে দেয়া হলেও দুপুরের পর সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের আশপাশে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়, আর নেতা-কর্মীদের কাউকে সমাধিস্থলের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ভিড় আরও বাড়ছে, তবে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া করতে আসা কিছু মানুষের মাঝে ছিল কান্নার অশ্রু। সকালেই গণপূর্ত বিভাগ কবরস্থল পরিদর্শন করে এবং কবরের স্থান নির্ধারণের জন্য ম্যাপ তৈরি করেছে। আনসার সদস্যরা জানিয়েছেন, পরবর্তী কার্যক্রম ধীরে ধীরে শুরু হবে।

মোহাম্মদপুর থেকে আসা বিএনপি কর্মী রবিন হাওলাদার বলেন, “আমাদের অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়াকে হারানোর কথা কখনো ভাবিনি। তার মৃত্যু আমাদের কাছে অচিন্তনীয়। আমরা সত্যিই মেনে নিতে পারছি না, যে আমাদের অভিভাবক ছিলেন, সেই নেত্রী আর নেই।”

তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক আপসহীন নেত্রী। তার ওপর যখন অত্যাচারের স্ট্রিম রোলার চলছিল, তখনও তিনি দেশ ছাড়তে রাজি হননি। স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তিনি শেষ পর্যন্ত এ দেশের মাটিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তিনি দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের হৃদয়ে থাকবেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুক।”

ফার্মগেট থেকে আসা রুমা খানম বলেন, “আমি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই, শুধু একবার ম্যাডামের কবরের স্থানটি দেখতে এসেছি। কাল এখানে অনেক ভিড় হবে, তাই আজই আসলাম। তিনি ছিলেন এক অদম্য নারী। নারীদের জন্য বেগম খালেদা জিয়া চিরকাল অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবেন।”

আরেক বিএনপি কর্মী সোহরাব মিয়া বলেন, “আমাদের আপসহীন নেত্রীকে হারানো, এটা কখনো মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের একজন অভিভাবক হারালাম, আর আমরা বাকরুদ্ধ। আল্লাহ আমাদের নেত্রীকে বেহেশত দান করুক।”

এদিকে, বেগম খালেদা জিয়াকে সমাহিত করার জন্য কবর খননের কাজ চলছে এবং কিছু মানুষ স্মৃতিস্বরূপ মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন বা ছবি তুলছেন। এছাড়া, ভিড়ের কারণে জিয়া উদ্যানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে এবং কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গঠন করা হয়েছে।