tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকযুদ্ধ বন্ধে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র–রাশিয়া–ইউক্রেন

যুদ্ধ বন্ধে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র–রাশিয়া–ইউক্রেন

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে। আগামী শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুই দিনব্যাপী এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর জেলেনস্কি জানান, ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার শর্তগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধ-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নিয়ে একটি চুক্তিও প্রায় প্রস্তুত। এসব বিষয় কিয়েভ-সমর্থিত প্রস্তাবগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি পরিকল্পনার বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল—যে পরিকল্পনাকে রাশিয়ার প্রতি বেশি সহানুভূতিশীল বলে মনে করা হচ্ছিল।

জেলেনস্কি বলেন, আবুধাবিতে অনুষ্ঠেয় এই আলোচনা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে প্রথম ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হবে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।’

এ বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকটিকে ‘ভালো’ বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি বলেন, রাশিয়ার শুরু করা এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টা এখনো চলমান রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া–ইউক্রেন আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং বর্তমানে আলোচনা একটি মাত্র বিষয়ে এসে আটকে আছে।

বৃহস্পতিবার ডব্লিউইএফের এক অনুষ্ঠানে উইটকফ বলেন, ‘আমরা এখন একটিমাত্র ইস্যুতে এসে পৌঁছেছি। বিষয়টি বিভিন্ন দিক থেকে আলোচনা করা হয়েছে, যার অর্থ হলো—এটি সমাধানযোগ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘উভয় পক্ষ যদি সমাধানে আগ্রহী হয়, তাহলে আমরা অবশ্যই একটি সমাধানে পৌঁছাতে পারব।’

পরে যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ দূত এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার রাশিয়ার রাজধানী মস্কো সফর করেন এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা