যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি সমঝোতা চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও জব্দকৃত (ফ্রোজেন) ইরানি সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি এখনও বড় বাধা হয়ে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র সৌদি সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়াকে জানিয়েছে, দুই দেশের চলমান আলোচনার শেষ ধাপে ফ্রোজেন তহবিলের ব্যবস্থাপনা নিয়ে মতপার্থক্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
সূত্রটির দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতাকারীদের স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, কোনো চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার আগে তিনি ইরানের জন্য কোনো অর্থ ছাড়ে সম্মত নন।
আলোচনায় থাকা একটি প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরানের জব্দকৃত সম্পদ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠন করা হতে পারে। চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ওই তহবিলের মাধ্যমে ধাপে ধাপে অর্থ ছাড় ও তদারকি করা হবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং সম্ভাব্য চুক্তির মূল কাঠামো প্রায় চূড়ান্ত হয়ে এসেছে। তবে ফ্রোজেন সম্পদ মুক্তির শর্ত, পদ্ধতি ও সময়সূচি নিয়ে এখনও উভয় পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, জব্দকৃত অর্থের ইস্যুতে সমাধান হলে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্ভব হতে পারে। তবে অর্থ ছাড়ের প্রশ্নে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানই বর্তমানে চুক্তি বাস্তবায়নের পথে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



