tanaka

সিরিয়ায় সেনাবাহিনীর অস্ত্রগুদামে শক্তিশালী বিস্ফোরণ, আহত ৪

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি অস্ত্রগুদামে শক্তিশালী বিস্ফোরণে অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে আলেপ্পো শহরের দক্ষিণে আল-ঈস এলাকার কাছে সিরীয় সেনাবাহিনীর একটি স্থাপনায়...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্রের সব কথা মানতে বাধ্য নয় যুক্তরাজ্য: মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সব কথা মানতে বাধ্য নয় যুক্তরাজ্য: মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির বিষয়ে যুক্তরাজ্য কঠোর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে। দেশটি ট্রাম্পকে ‘অত্যন্ত লেনদেনমুখী’ বা হিসেবী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং স্পষ্ট জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যেসব দাবি জানায়, সেগুলো মানতে যুক্তরাজ্য বাধ্য নয়।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ সরবরাহ না করলে মিত্রদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকির প্রশ্নে ব্রিটিশ কর্ম ও পেনশন মন্ত্রী প্যাট ম্যাকফ্যাডেন বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র অনুরোধ করলেই তাতে রাজি হতে আমরা বাধ্য নই।”

ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সাহায্য করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের ‘উৎসাহের অভাব’ নিয়ে ট্রাম্পের সমালোচনার পর মন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের অবশ্যই প্রেসিডেন্টের তিক্ত মন্তব্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলাদা করে দেখতে হবে।”

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ না পাঠানোর কারণে তার ক্ষোভ পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এটি ন্যাটোর জন্যও ভালো হবে না যদি কোনো সাড়া না পাওয়া যায়।

ম্যাকফ্যাডেন জানান, “এটি অত্যন্ত লেনদেনমুখী প্রেসিডেন্সি, আমাদের কাজ হলো এর মধ্য দিয়ে পথ খুঁজে নেওয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্ব গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।”

বর্তমানে যুক্তরাজ্য হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণকারী ড্রোন পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, কারণ সরাসরি ট্রাম্পের দাবিতে সম্মতি দিলে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ম্যকফ্যাডেন আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের মধ্যে বিষয়গুলো আলোচনা হবে। আমরা কোনো প্রধান পক্ষ হতে চাইনি। তবে এর মানে এই নয় যে যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো পদক্ষেপ নিলেই আমরা তা সমর্থন করব।”

স্টারমার ট্রাম্পের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পরিশ্রম করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, হোয়াইট হাউসে তার প্রথম সফরের সময় তিনি ট্রাম্পকে যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয়বারের জন্য রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ডাউনিং স্ট্রিট বলেছে, যুক্তরাজ্যের অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ এবং জনমতের প্রতিফলন। রোববার (১৫ মার্চ) স্টারমার ও ট্রাম্প ফোনে কথা বলেন এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় উন্মুক্ত করার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান