tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকভারত-চীন সম্পর্কের উষ্ণতায় নতুন মোড়

ভারত-চীন সম্পর্কের উষ্ণতায় নতুন মোড়

দীর্ঘদিনের উত্তেজনার পর চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর শুল্কনীতি যেন চীন ও ভারতকে কাছাকাছি নিয়ে আসছে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।

বৈঠকে সীমান্ত ইস্যুতে সমাধানের পথে এগোতে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। গঠন করা হবে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি, যা দ্রুত সময়ের মধ্যে সীমান্ত নির্ধারণে গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করবে। এ উদ্যোগের আওতায় ২০০৫ সালের ‘পলিটিক্যাল প্যারামিটারস অ্যান্ড গাইডিং প্রিন্সিপালস’ চুক্তিকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে।

এছাড়া উভয় দেশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল পুনরায় চালু, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের জন্য কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়েছে।

সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত ও চীন। লিপুলেখ পাস, শিপকী লা ও নাথুলা এই তিনটি প্রবেশদ্বার দিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কংক্রিট ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর দুদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপগুলো তা কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া ডব্লিউএমসিসির অধীনে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে নতুন ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে নতুন সামরিক যোগাযোগ কাঠামো গড়ে তোলার কথাও বলা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কাজানে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে যে ঐকমত্য হয়েছে, তা বাস্তবায়নে অগ্রগতি ইতিবাচক। দুই পক্ষই সীমান্ত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরেছে।

চীন প্রধানমন্ত্রী মোদির আসন্ন তিয়ানজিন এসসিও সম্মেলনে অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছে। ভারতও চীনের এসসিও সভাপতিত্বে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। দুই দেশ ২০২৬ সালে ভারতের ব্রিকস সম্মেলন এবং ২০২৭ সালে চীনের সম্মেলনসহ অন্যান্য কূটনৈতিক উদ্যোগে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।