tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা

ব্যাংক খাতে মূলধন ঘাটতি ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকা

দেশের ব্যাংক খাতে মূলধন সংকট আরও গভীর আকার ধারণ করেছে। বছরের পর বছর অনিয়ন্ত্রিত ঋণ বিতরণ, দুর্বল তদারকি ও রাজনৈতিক প্রভাবে ঋণ অনুমোদনের কারণে ২০২৫ সালের সবশেষ প্রান্তিক (ডিসেম্বর প্রান্তিক) শেষে ২০টি ব্যাংকের মোট মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকায়। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃতফসিল নীতির কারণে আগের প্রান্তিকের তুলনায় শেষ তিন মাসে ঘাটতি কিছুটা কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে ২৩টি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি ছিল ২ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বর প্রান্তিকে তা কমে ২০টি ব্যাংকে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার কোটি টাকায়।ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি বলতে বোঝায় কোনো ব্যাংকের নিজস্ব মূলধন ও সংরক্ষিত তহবিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত ন্যূনতম সীমার নিচে নেমে যাওয়া। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ মূলধন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আগ্রাসী ঋণ বিতরণ, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ অনুমোদনের কারণেই ব্যাংক খাত এ সংকটে পড়েছে। খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকায় ব্যাংকগুলোর মূলধন পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়ছে। এতে নতুন ঋণ দেওয়ার সক্ষমতাও কমে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডিসেম্বর শেষে ব্যাংক খাতের ক্যাপিটাল টু রিস্ক ওয়েটেড অ্যাসেটস রেশিও (সিআরএআর) নেমে এসেছে ঋণাত্মক ২ দশমিক ৬৪ শতাংশে। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর ন্যূনতম সিআরএআর ১২ দশমিক ৫ শতাংশ থাকা বাধ্যতামূলক।

একই সময়ে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।