tanaka

অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ নয়, কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহারের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

আদালতের নির্ধারিত কর্মঘণ্টার পূর্ণ সদ্ব্যবহার এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ না করতে বিচারকদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। একই সঙ্গে...
প্রচ্ছদখেলাবিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে ‘অনিশ্চয়তায়’ ভারত

বিশ্বকাপ সম্প্রচার নিয়ে ‘অনিশ্চয়তায়’ ভারত

ফিফা বিশ্বকাপের আর বেশিদিন বাকি নেই। ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে উত্তেজনা। তবে এবার মাঠের বাইরের ঘটনাপ্রবাহ নিয়েই আলোচনা ও সমালোচনা বেশি। এরমধ্যে একটি হলো বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ ভারত কি এই বিশ্বকাপ দেখতে পারবে?

ভারতের জনসংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি। সেখানে এখনো এই প্রশ্নের উত্তর পরিষ্কার নয়। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে এসে দেশটিতে সম্প্রচারের স্বত্ব (ব্রডকাস্টিং রাইটস) নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। ফলে কোটি কোটি দর্শক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।এই পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে একটি জটিল আলোচনা, যা এখনো কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফার মিডিয়া রাইটস প্রতিনিধিরা সম্প্রতি ভারতে সফর করেছেন, বিভিন্ন টেলিভিশন অংশীদারদের সঙ্গে অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা করতে। মূল সমস্যা হলো অর্থনৈতিক মূল্যায়ন নিয়ে মতভেদ।

জনসংখ্যার কারণে ভারত যেকোনো খেলাধুলার জন্যই অনেক বড় বাজার। একইভাবে সেটি ফুটবলের জন্য কোনোভাবেই ছোট বাজার নয়। যদিও সেখানে খেলাটি এখনো ক্রিকেটের ছায়ায় রয়েছে। তবুও প্রায় ৮ কোটি ৫০ লাখ ফুটবলভক্ত রয়েছে। তবে ব্রডকাস্টিং রাইটসের মূল্য নিয়ে মতবিরোধের কারণে এখনো কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।পূর্বের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যে প্রস্তাবগুলো এসেছে তা ফিফার প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম, যার ফলে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ে। তবে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে, যদিও কোনো নির্দিষ্ট অগ্রগতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সমস্যা হলো সময়। বিশ্বকাপ শুরুর খুব বেশি সময় বাকি নেই। শুধু চুক্তি করা নয়, বরং সম্প্রচার অবকাঠামো প্রস্তুত করা, সিগন্যাল বিতরণ এবং বিজ্ঞাপন বাজারজাতকরণের মতো কাজও করতে হবে অল্প সময়ের মধ্যে।

একই সময়ে বিশ্বের অন্যান্য বড় বাজারগুলো ইতোমধ্যেই সম্প্রচার চুক্তি সম্পন্ন করেছে। ফলে ভারত এখন টুর্নামেন্টের বৈশ্বিক মানচিত্রে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তাগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে।