tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদখেলাবিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয়

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয়

কানাডার টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত, লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক জনপ্রিয় ডিজে ও সঙ্গীত প্রযোজক সঞ্জয়। শুক্রবার (১২ জুন) তার এই ব্যতিক্রমী পরিবেশনা দেশ-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

উদ্বোধনী আয়োজনে বিশ্বখ্যাত নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি এবং ফরাসি গায়ক ভেজেড্রিমের সঙ্গে যৌথভাবে জনপ্রিয় গান ‘সির সির’ পরিবেশন করেন সঞ্জয়। পারফরম্যান্সের সময় তার পরনে ছিল মেরুন রঙের একটি দৃষ্টিনন্দন স্যুট, যার হাতাজুড়ে সূক্ষ্ম কারুকাজে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয়ের বিভিন্ন অনুষঙ্গ।

স্যুটটির নকশায় স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় ফুল শাপলা এবং জাতীয় পতাকার লাল বৃত্ত। পুরো পোশাকজুড়ে দেশীয় ঐতিহ্যের শৈল্পিক উপস্থাপন দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

পারফরম্যান্স চলাকালে সঞ্জয়কে একাধিকবার তার জ্যাকেটের হাতার বিশেষ এমব্রয়ডারির দিকে ইঙ্গিত করতে দেখা যায়। অনেকেই এটিকে নিজের শিকড়, সংস্কৃতি ও মাতৃভূমির প্রতি তার গভীর ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আয়োজনের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশের এই গর্বিত উপস্থাপনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও শোবিজ অঙ্গনের তারকারা ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করে সঞ্জয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ঐতিহাসিক মুহূর্তটির ভিডিও নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করে সঞ্জয় লিখেছেন, “আমার মানুষ। এটি কেবল একটি সুন্দর পথচলার শুরু মাত্র।”

উল্লেখ্য, সঞ্জয়ের জন্ম মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে এবং বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। সঙ্গীতচর্চায় বিভিন্ন সংস্কৃতির মেলবন্ধনকে গুরুত্ব দেওয়া এই শিল্পী তার সাফল্যের পেছনে পারিবারিক সঙ্গীত ঐতিহ্যের অবদান, বিশেষ করে মা ও দাদির অনুপ্রেরণার কথা প্রায়ই কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।