tanaka

শুটিংয়ে পিছলে পড়ে হাঁটুতে চোট, বসেই ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি’ উপস্থাপনা অমিতাভের

শুটিংয়ের সময় পিছলে পড়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছেন বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। চোট গুরুতর না হলেও হাঁটুর সমস্যার কারণে দাঁড়াতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলে...
প্রচ্ছদরাজনীতিবিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব কমাতে ৯ দলের উদ্যোগ

বিএনপি-জামায়াতের দূরত্ব কমাতে ৯ দলের উদ্যোগ

দেশ যখন নির্বাচনমুখী, ঠিক সে সময় দুই প্রধান দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে এসেছে। এর ফলে ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্যান্য দলগুলো উদ্বিগ্ন, কারণ দুই দলের বিরোধ জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এতে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে, গণতন্ত্রকামী নয়টি রাজনৈতিক দল উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করার। তারা আশা করছে চলতি মাসের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করা সম্ভব হবে।

নির্ধারিত তিনটি আলোচ্য বিষয় হলো:

১. জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া

২. সংসদের উচ্চকক্ষে পিআর (সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) প্রয়োগ

৩. জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবে বিএনপির দেওয়া ‘নোট অব ডিসেন্ট’ হ্রাস

    জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনসহ অন্যান্য দাবিতে জামায়াতসহ সাতটি দল আন্দোলনে নেমেছে। বিএনপিও নির্বাচনমুখী কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা করছে। দুই দলের পাল্টাপাল্টি অবস্থান দেশের রাজনীতিকে অস্থিতিশীল করতে পারে।

    উদ্যোগী নয়টি দল হলো—জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এবং গণঅধিকার পরিষদ।

    গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানকে। জুলাই সনদের আইনগত বিষয় নিয়ে আলোচনা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন ও এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানী আবদুল হককে।

    এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি-জামায়াতের মুখোমুখি অবস্থান নিরসন করা অত্যন্ত জরুরি। আমরা দুই দলের সঙ্গে বসে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করব।’

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, ‘দুই দলের বিরোধে পতিত ফ্যাসিবাদ আবারও সুযোগ নিতে পারে। তাই চলতি মাসের মধ্যে দূরত্ব কমানোর জন্য আমাদের দলগুলো উদ্যোগ নিয়েছে।’

    ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু জানান, ‘বাম গণতান্ত্রিক জোট, জাতীয় গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাসদ এবং গণফোরামের সঙ্গে বৈঠক হবে। এরপর বিএনপিসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে আলোচনা হবে। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

    এবং এবি পার্টি সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু জাতীয় প্রেস ক্লাবে বলেন, ‘মাত্র সাত বছর আগে দুই দল একই মার্কায় নির্বাচন করেছে। এখন জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একজোট হয়ে নির্বাচন করলে সমস্যা কোথায়? এতে দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে না।’