tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিক‘বন্দে মাতরম’ দিয়ে বিজেপিকে বার্তা দিলেন থালাপতি বিজয়

‘বন্দে মাতরম’ দিয়ে বিজেপিকে বার্তা দিলেন থালাপতি বিজয়

তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অভিনেতা-রাজনীতিক থালাপতি বিজয়। তার দল তামিলগা ভেট্রি কাজাগামের বিজয়ের পর আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।

তবে অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল সূচনায় পুরো ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন। সাধারণত তামিলনাড়ুর সরকারি অনুষ্ঠান শুরু হয় রাজ্যের সরকারি গান ‘তামিল থাই ভাজ্থু’ দিয়ে। কিন্তু এবার সেই রীতিতে পরিবর্তন এনে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’, পরে জাতীয় সংগীত এবং তারপর ‘তামিল থাই ভাজ্থু’ গাওয়া হয়।

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনায় সরকারি ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর পূর্ণ সংস্করণ বাজানোর ওপর গুরুত্ব আরোপের পর বিজয়ের এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা।

শপথ অনুষ্ঠানে বিজয়ের পাশে ছিলেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এর আগে কংগ্রেস আমলে ‘বন্দে মাতরম’-এর কিছু অংশ বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছিলেন তিনি।

টাইমস অব ইন্ডিয়া–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রী সুভেন্দু অধিকারী–র শপথ অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়নি। শনিবারের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

এ সপ্তাহের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ‘জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইন’ সংশোধনের প্রস্তাব অনুমোদন করে। প্রস্তাবিত সংশোধনীতে ‘বন্দে মাতরম’-কে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বর্তমান আইনে জাতীয় পতাকা, সংবিধান বা জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার ক্ষেত্রে কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’ও একই আইনের আওতায় আসবে এবং নিয়ম লঙ্ঘনকে জ্ঞাত অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

জানা গেছে, ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।