দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাস পূর্ণ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সময়ে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত, সাফল্য-ব্যর্থতার পাশাপাশি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বক্তব্য ও কার্যক্রম বিভিন্ন সময়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
কেউ বিতর্কিত বক্তব্য দিয়ে, কেউ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচিত হয়ে আলোচনায় এসেছেন। আবার কারও ভাইরাল ভিডিও কিংবা বক্তব্য ফাঁসের ঘটনাও তৈরি করেছে বিতর্ক।
এসব ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তৈরি করেছে তুমুল প্রতিক্রিয়া।
আলোচনায় থাকা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে রয়েছেন– সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। শুরুতে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার আকার ছিল ৫০ সদস্যের। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এরপর ১২ মার্চ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। একই দিনে হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্পিকার এবং কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
হাফিজ উদ্দিনের পদত্যাগের দিনই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান আহমেদ আযম খান। অন্যদিকে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য প্রধানমন্ত্রীসহ ৪৮ জন। এর মধ্যে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।



