tanaka

মেরুল বাড্ডায় রাজউকের দেড় হাজার কোটি টাকার জমি ২১ বছর ধরে দখলে

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় রাজউকের প্রায় ১১ একর জমি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমিটির বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা। একই জমিকে ঘিরে প্রায় ছয় হাজার মানুষের কাছ থেকে ৩০০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
প্রচ্ছদজাতীয়পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক চান সরকারি কর্মচারীরা

পে স্কেল নিয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক চান সরকারি কর্মচারীরা

বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন করেছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতির আহ্বায়ক ইসহাক কবীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিএসএফের কাছে এ আবেদন জমা দেয়। অনুমতি পেলে শিগগিরই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে তারা জানান।

আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরের দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত একটি জোট। এতে শিক্ষক-কর্মচারীসহ প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

আরও বলা হয়, ২০১৫ সালের বৈষম্যমূলক পে স্কেল জারির পর থেকে বৈষম্য নিরসনের দাবিতে বিভিন্ন সময় কর্মসূচি পালন করা হলেও তৎকালীন সরকার দাবি পূরণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি; বরং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে।

বর্তমানে বাজারমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, সেবা খাতের ব্যয় ও পরিবারের ভরণ-পোষণের খরচ বৃদ্ধিতে ১১–২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। এ বাস্তবতায় সাত দফা দাবি সরাসরি উপস্থাপনের লক্ষ্যে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

সাত দফা দাবি সংক্ষেপে—
১) ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা বেতনে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন এবং শেষ ধাপে পৌঁছানোদের নিয়মিত বার্ষিক বৃদ্ধি।
২) ২০১৫ সালে প্রত্যাহারকৃত টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা; সব স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন প্রবর্তন ও গ্রাচুইটি ১০০ শতাংশ নির্ধারণ।
৩) ব্লক পোস্টসহ সব পদে পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড; অধস্তন আদালতের কর্মচারীদের বিচার বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতি; টেকনিক্যাল কর্মচারীদের টেকনিক্যাল মর্যাদা।
৪) স্কেলের শেষ ধাপে পৌঁছালেও চাকরিতে থাকা অবস্থায় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা।
৫) মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় সব ভাতা পুনর্নির্ধারণ এবং রেশন ব্যবস্থা চালু।
৬) চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়সসীমা ৬২ বছর নির্ধারণ।
৭) উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদধারিদের প্রকল্পকাল গণনা করে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড না দেওয়ার অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈষম্যমূলক আদেশ বাতিল।

আবেদনে দাবিগুলো বিবেচনায় নিয়ে সাক্ষাতের তারিখ ও সময় নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।