tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়পে কমিশনের পূর্ণসভা বৃহস্পতিবার, গ্রেড পরিবর্তনসহ সম্ভাব্য সিদ্ধান্তসমূহ

পে কমিশনের পূর্ণসভা বৃহস্পতিবার, গ্রেড পরিবর্তনসহ সম্ভাব্য সিদ্ধান্তসমূহ

নবম পে-স্কেল নিয়ে স্থগিত থাকা জাতীয় বেতন কমিশনের পূর্ণ কমিশন সভা বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। সভা দুপুর ১২টায় শুরু হবে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কমিশনের একজন সদস্য এই তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। তিনি জানান, সভায় গ্রেড সংখ্যা ও বেতন কাঠামোসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

সূত্র জানায়, চলতি মাসের মাঝামাঝি কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের কাছে জমা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে গ্রেড সংখ্যা ও বেতনবৈষম্য কমানোর মতো কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাকি থাকায় কাজ চলছে।

পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নবম পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত হবে–এসব বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে এখনও আলোচনা চলছে। এসব অমীমাংসিত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আরও অন্তত দুইটি পূর্ণাঙ্গ কমিশন সভার প্রয়োজন হবে। সব সদস্যের ঐকমত্যের পরই চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

এক গুরুত্বপূর্ণ কমিশন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, মধ্য-জানুয়ারির মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার একটি অদৃশ্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সব ঠিক থাকলে এর আগেও রিপোর্ট জমা দেওয়া হতে পারে। তবে পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ সভার পর নির্দিষ্ট তারিখ আরও স্পষ্ট করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২০টি গ্রেড নিয়ে কমিশনের মধ্যে তিনটি প্রধান দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। একদল সদস্য চাচ্ছেন বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বজায় রেখে শুধু বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হোক। তবে বড় অংশের মতে, ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১৬টি করা যৌক্তিক। অন্য একটি দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী, বেতনবৈষম্য পুরোপুরি দূর করতে গ্রেড সংখ্যা ১৪টিতে নামানো উচিত। এই গ্রেড সংখ্যা নিয়ে বিতর্কেই বর্তমানে কমিশনের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত।

কমিশন দেশের বিভিন্ন সংস্থা, দফতর ও সংগঠনের প্রাপ্ত শত শত প্রস্তাব ও মতামত বিশ্লেষণ করছে। প্রতিবেদন প্রস্তুতির প্রাথমিক কাজ শুরু হলেও, বাস্তবসম্মত ও টেকসই সুপারিশ তৈরির জন্য প্রতিটি প্রস্তাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আরও কয়েক দিন প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বছরের শুরুতেই যদি পে-কমিশনের সুপারিশ জমা হয়, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এটি একটি বড় “নতুন বছরের উপহার” হবে। এখন সবার নজর কমিশনের পরবর্তী সভার দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে নতুন গ্রেড ও বেতন কাঠামো।