বরগুনার পূর্ব বুড়িরচড় শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার উত্তর বাড্ডার এলিন কমিউনিটি সেন্টারে এ সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সন্তোষ দাশগুপ্ত (অমিত), সম্মানিত ট্রাস্টি, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রী গৌতম চন্দ্র বণিক, সম্মানিত ট্রাস্টি, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সাব-এডিটর লিপিকা সরকার (লিপি), ওলিটো ক্রাফট জুট মিলস লিমিটেডের চেয়ারম্যান শ্রী তপন কুমার সরকার, শ্রী হিরণ চন্দ্র, শ্রী লিটন চন্দ্র ও শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ফারিয়া লারা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সংগঠক,দানবীর, সমাজ সেবক শ্রী তপন কুমার হাওলাদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিঠুন চন্দ্র। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মন্দিরের সভাপতি সন্তোষ চন্দ্র শীল এবং মাধুরী রাণী সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রী গৌতম চন্দ্র বণিক নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, মন্দির শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থান নয়; এটি মানুষের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ চর্চার পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতি, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই মন্দিরের উন্নয়ন ও ধর্মীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কমিটির সদস্যদের পারস্পরিক ঐক্য, স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে মন্দিরের গুরুত্ব তুলে ধরতে হবে। মন্দিরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভক্ত, স্থানীয় বাসিন্দা ও শুভানুধ্যায়ীদের সম্পৃক্ত করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সন্তোষ দাশগুপ্ত (অমিত) মন্দিরের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি এর সার্বিক উন্নয়নে নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, মন্দির একটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর উন্নয়ন ও সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় বক্তারা মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ, মন্দির চত্বরের উন্নয়ন, নিয়মিত ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন এবং ভক্তদের জন্য আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে শ্রী তপন কুমার হাওলাদার বলেন, শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির এলাকার মানুষের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক। মন্দিরের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সাধারণ সম্পাদক মিঠুন চন্দ্র বলেন, কমিটির সব সদস্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে মন্দিরের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত হবে। এ জন্য তিনি মন্দিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে মন্দির কমিটির সদস্য, ভক্ত, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে নবনির্বাচিত কমিটির ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, ধর্মীয় কার্যক্রম এবং মন্দিরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।



