রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা ভাঙ্গা প্রেস এলাকায় পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে একই পরিবারের চারজনকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে সামাদ মেম্বারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দিয়া আক্তার (২০) রাজধানীর শেখ বোরহান উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। আহতরা হলেন—মৌসুমী আক্তার (৩৫), মোয়াজ (১৫) ও জয়া (১২)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত আবু মুসাও একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং পুলিশ পাহারায় আছেন।
হাসপাতালে আহতদের নিয়ে আসা বিল্লাল হোসেন জানান, আবু মুসা পেশায় একজন ঠিকাদার। নবুউল্লাহার কাছে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ভোরে তার বাসায় যান তিনি। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হলে প্রথমে নবুউল্লাহা আবু মুসাকে কুপিয়ে জখম করেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে আবু মুসা ক্ষিপ্ত হয়ে নবুউল্লাহার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের ওপর হামলা চালিয়ে তার বাম হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেন। মেয়ে দিয়া বাধা দিতে গেলে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর জয়া ও মোয়াজ এগিয়ে এলে তাদেরকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক দিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি তিনজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, ঘটনার পর আহত আবু মুসাকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।



