বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য পাঠানো হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপার যুক্তরাষ্ট্রের একটি পোস্টাল গুদামে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বিলি অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় এসব ব্যালট স্টোরেজে রাখা হয়েছিল, যা নির্দিষ্ট সময় পর গার্বেজ হিসেবে ফেলে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
বিষয়টি প্রথমে নজরে আসে একজন বাংলাদেশি–আমেরিকান পোস্টাল কর্মীর। কৌতূহলবশত তিনি পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের এক সিনিয়র কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং ব্যালট পেপারগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরবর্তীতে নিউইয়র্কে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাসকেও বিষয়টি জানানো হয়। এতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে এবং জরুরি ভিত্তিতে ইউএস পোস্টাল ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন এবং দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি জুম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কেন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলো, তা খতিয়ে দেখা হয়।
এ প্রসঙ্গে নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, যুক্তরাষ্ট্রে চিঠিপত্র জিপ কোডের ভিত্তিতে বিতরণ করা হয়। তবে কিছু ব্যালটের ঠিকানায় ‘পিও বক্স’ উল্লেখ থাকায় সেগুলো ডেলিভারি না হয়ে পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের স্টোরেজে জমা ছিল। বিষয়টি জানার পর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, দূতাবাস এবং ইউএস পোস্টাল ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জুম বৈঠক হয়। তিনি বলেন, আমাদের সুপারিশের ভিত্তিতে ব্যালটগুলো সঠিকভাবে বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে। আশা করা যাচ্ছে, প্রবাসী ভোটাররা সময়মতো তাদের ব্যালট হাতে পাবেন।



