tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যে বৈশাখী শোভাযাত্রা

‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যে বৈশাখী শোভাযাত্রা

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ উৎসব। এ উপলক্ষে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্যে সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বের হয় ঐতিহ্যবাহী ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ থানা, টিএসসি মোড়, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমির সামনের সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

শোভাযাত্রায় অংশ নেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রো-ভিসি (প্রশাসন) ও কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সায়মা হক বিদিশা, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর মো. লুৎফর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং দেশ-বিদেশের অতিথিরা।

এবারের শোভাযাত্রায় পাঁচটি বড় মোটিফ—মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া—বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। লোকজ প্রতীকের ধারায় এসব মোটিফ শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিময়তার বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। পাশাপাশি ৩৫ জন বাদ্যযন্ত্রশিল্পীর পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, ‘এসো হে বৈশাখ’সহ দেশাত্মবোধক গান শোভাযাত্রায় প্রাণসঞ্চার করে। প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করেন।

শোভাযাত্রা সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এটি কেবল বাঙালির নয়, বরং বাংলাদেশের সকল ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের মিলনমেলা।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বায়নের এ সময়ে অনেক ক্ষেত্রে আমরা নিজস্ব সংস্কৃতি থেকে সরে গিয়ে অন্য সংস্কৃতির অনুসরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছি। অথচ আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী। এই সংস্কৃতিকে ধারণ ও চর্চার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরা সম্ভব।

উপাচার্য আরও উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্যান্য দেশের মানুষ তাদের সংস্কৃতি সফলভাবে উপস্থাপন করলেও আমরা অনেক সময় পিছিয়ে থাকি—যার মূল কারণ নিজেদের সংস্কৃতির প্রতি আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি। তাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে।

নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ, সংগীত বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব পৃথকভাবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়া ১৫ ও ১৬ এপ্রিল চারুকলার বকুলতলায় বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং ‘প্রত্যয় বাংলাদেশ’-এর পরিবেশনায় ‘বাগদত্তা’ ও ‘দেবী সুলতানা’ শীর্ষক যাত্রাপালা মঞ্চস্থ হবে।

I prefer this response