tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদজাতীয়দূরপাল্লার বাস কমছে, পাম্পে ভিড় অব্যাহত

দূরপাল্লার বাস কমছে, পাম্পে ভিড় অব্যাহত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে দেশের তেলের বাজার অস্থির। তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেক মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করছেন। সরকারের রেশনিং সিস্টেম কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

দূরপাল্লার বাসে ডিজেল সরবরাহ সীমিত হওয়ায় ট্রিপ সংখ্যা কমানো হয়েছে। এতে ঈদযাত্রায় ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সায়েদাবাদ, মহাখালী ও গাবতলী বাসস্ট্যান্ডগুলোতে বাস ও যাত্রী সংখ্যা কম দেখা গেছে। কল্যাণপুর ও গাবতলীর কাউন্টারগুলোতে দূরপাল্লার বাস স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি ব্যবধানে ছাড়ছে।

ফিলিং স্টেশনগুলোতেও চাহিদার তুলনায় কম জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং রাস্তায় যানজট দেখা গেছে। এতে বাসগুলোকে তেল নিতে দুই-তিন ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় দিতে হচ্ছে, যাত্রীরাও দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে বাধ্য।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ঈদ যাত্রায় গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হবে না, তাই ভাড়া বাড়ার আশঙ্কা নেই।

বাস সংস্থাগুলো জানিয়েছে, সরকারিভাবে নির্ধারিত ২০০–২২০ লিটার ডিজেলও অনেক সময় পুরোপুরি সরবরাহ হচ্ছে না। এর ফলে ট্রিপ সংখ্যা কমানো হচ্ছে এবং শিডিউল এলোমেলো হচ্ছে। ময়মনসিংহ রুটের এক চালক বলছেন, দিনে ৩ ট্রিপে ১১০–১১৫ লিটার তেল লাগে, কিন্তু মাত্র ৮০ লিটার পাওয়া যাচ্ছে।

মহাখালী ও তেজগাঁও অঞ্চলের ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল সীমিত। সরবরাহ রেশনিং অনুযায়ী হলেও চাহিদার তুলনায় অনেক কম। পাম্প থেকে তেল শেষ হয়ে গেলে বন্ধ রাখতে হচ্ছে, ফলে চালকদের গাড়ি রাস্তায় নামানো যাচ্ছে না।

বাস কাউন্টারের কর্মকর্তারা বলছেন, আগের তুলনায় দূরপাল্লার বাস ৪০–৫০% কম ট্রিপে ছেড়ে যাচ্ছে। অনন্যা ও ইউনাইটেড বাসগুলো ১৫–২০ মিনিটের ব্যবধানে ছাড়লেও এখন ১–১.৫ ঘণ্টা পরপর ছাড়ছে। এতে ঈদ যাত্রায় যাত্রীদের ভোগান্তি অনেক বেড়ে গেছে।

পাম্প ম্যানেজারদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনের তুলনায় ৩–৪ ভাগ কম তেল সরবরাহ হচ্ছে। ফলে দিনের মধ্যে তেল শেষ হয়ে যায় এবং সারাদিন পাম্প বন্ধ রাখতে হয়।