tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিতৃতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন হীরা

তৃতীয়বারের মতো সংসদে যাচ্ছেন হীরা

তীয়বারের মতো সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ও দলটির উপদেষ্টা রাশেদা বেগম হীরা।রাশেদা বেগম হীরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের সহ-সভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ছাত্রনেত্রী হিসেবে তিনি ১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণ করেন এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গবভনে আমন্ত্রিত হন। ১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অল্ফাম, সেভ-দি-চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ এ যাবৎ দলের সব রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি একজন লড়াকু সৈনিক। ৮ম ও ৯ম জাতীয় সংসদে তিনি দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

রাশেদা বেগম হীরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রী ছিলেন।

পতিত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে হীরাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া সংক্রান্ত মামলায় আসামি দেখানো হয়। ওই মামলায় ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন জানালে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। 

রাশেদা বেগম হীরার স্বামী অবসরপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম বিভাগীয় খাদ্য কর্মকর্তা মরহুম মো. রফিকুল ইসলাম মজুমদার।

রাশেদা বেগম হীরা এক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চাঁদপুর-১ আসনের এমপি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২ আসনের এমপি মো. জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মো. মমিনুল হককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।