tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিঢাকায় সংবাদ সম্মেলন মেটলাইফের বিরুদ্ধে বিমা দাবি পরিশোধে প্রতারণার অভিযোগ

ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন মেটলাইফের বিরুদ্ধে বিমা দাবি পরিশোধে প্রতারণার অভিযোগ

মেটলাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে বিমা দাবির অর্থ পরিশোধ না করে হয়রানি ও প্রতারণার চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছেন বগুড়ার শেরপুরের বাসিন্দা মরহুম জালাল হোসেনের মেয়ে ও মনোনীত উত্তরাধিকারী (নমিনি) মোছা. চুমকি আক্তার।

রোববার (২৬ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বাবার মৃত্যুর প্রায় চার বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বিমা দাবির অর্থ পাননি তিনি। ৪৪ লাখ টাকার দাবির বিপরীতে মাত্র ৪৪ হাজার টাকা পরিশোধের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

চুমকি আক্তার জানান, তার বাবা মেটলাইফে একটি জীবন বিমা পলিসি গ্রহণ করেছিলেন। ২০২২ সালে মাসিক প্রায় ২২ হাজার টাকা করে দুটি কিস্তি পরিশোধের পর তিনি মারা যান। পরে নমিনি হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে বিমা দাবি করেন চুমকি। তবে মেটলাইফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পলিসি গ্রহণের সময় ভুল তথ্য দেওয়ায় দাবি পরিশোধ করা সম্ভব নয়।

তার দাবি, তার বাবার গার্ডিয়ান ও সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে করা অন্য দুটি বিমা বা সঞ্চয় সুবিধার অর্থ কোনো জটিলতা ছাড়াই পরিশোধ করা হলেও মেটলাইফের পক্ষ থেকে দাবি নিষ্পত্তিতে নানা জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে।

চুমকি আরও অভিযোগ করেন, আইনি নোটিশ দেওয়ার পর মেটলাইফের মতিঝিল কার্যালয়ে গেলে ‘আলি’ নামে এক কর্মকর্তা তাকে মামলা না করার পরামর্শ দেন এবং ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। পরে তার কাছ থেকে নতুন ব্যাংক হিসাবের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়।

তিনি বলেন, পরবর্তীতে আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন, ৪৪ লাখ টাকার মূল বিমা দাবির পরিবর্তে মাত্র ৪৪ হাজার টাকা পরিশোধের কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ওই অর্থই তার হিসাবে জমা হবে বলে জানানো হয়।

চুমকি আক্তারের ভাষ্য, ‘আমি কখনো ৪৪ হাজার টাকা নেওয়ার জন্য সম্মতি দিইনি। এটি ছিল শুধু জমা দেওয়া প্রিমিয়ামের অর্থ। অথচ কৌশলে কম টাকায় পুরো বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়েছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রতিবাদ জানালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা তার মূল কাগজপত্র ফেরত দেননি। বরং আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। পরে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে ব্লক করে দেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

চুমকি জানান, বিষয়টি নিয়ে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করেও কার্যকর কোনো প্রতিকার পাননি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি মেটলাইফের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আলি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ন্যায্য বিমা দাবি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। একই সঙ্গে ৪৪ লাখ টাকার বিমা দাবি আদায়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।