বাংলাদেশ ক্রিকেটে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের দ্বিতীয় অধ্যায়টিও শেষ হয়েছে তিক্ততার সঙ্গেই। নিজেই অভিযোগ করেছিলেন, তাকে একপ্রকার “বের করে দেওয়া” হয়েছিল। দেশে তাঁর সমালোচকের অভাব নেই। তবু বিস্ময়ের ব্যাপার হলো—দেশের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটার মুমিনুল হক স্বেচ্ছায় গেছেন অস্ট্রেলিয়ায় হাথুরুসিংহের কাছে অনুশীলন করতে! তার সঙ্গী হয়েছেন আরেক টেস্ট ক্রিকেটার, ওপেনার সাদমান ইসলাম।
হাথুরুসিংহে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবার নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বসবাস করছেন এবং সেখানে নিজস্ব একটি ক্রিকেট একাডেমি পরিচালনা করছেন। জানা গেছে, তার একাডেমিতে ১ ঘণ্টার সেশনের জন্য দিতে হয় ২৫০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। পাশাপাশি কোচিংয়ের জন্য নির্ধারিত সম্মানীও রয়েছে। ফলে মুমিনুল ও সাদমানের ৪ থেকে ৫টি সেশনেই ব্যয় হবে কয়েক লাখ টাকা।
তারা ২৭, ২৯, ৩১ আগস্ট ও ২ সেপ্টেম্বর হাথুরুসিংহের একাডেমিতে অনুশীলন করবেন বলে জানা গেছে।
তাহলে প্রশ্ন আসে—জাতীয় দলের কোচিং প্যানেল থাকতে কেন এই সিদ্ধান্ত?
মুমিনুল হক এই প্রশ্নের কিছুটা উত্তর দিয়েছেন নিজেই:
‘উন্নত অভিজ্ঞতার জন্য ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় অনুশীলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সিডনিতে হাথুরুসিংহের একাডেমিতে চারটি সেশন করব। ম্যাথু হেইডেনের সঙ্গে মেন্টাল সেশন করতেও কথা বলেছি, সেটির ব্যবস্থাও হাথুরুসিংহেই করবেন। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কোচরা যে মেন্টাল ট্রেনিং দিয়ে থাকেন, সেগুলো বেশ কার্যকর।’
আরও বলেছেন—
‘ওখানে অনেক বড় খেলোয়াড় থাকেন, চেষ্টা করব তাদের সঙ্গে কথা বলতে। উন্নত দেশের ক্রিকেট একাডেমিতে যেসব সুযোগ-সুবিধা থাকে, সেগুলো জানব ও বুঝব। জাতীয় দলের খেলার সময় একটা নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে থাকতে হয়। কিন্তু ব্যক্তিগত উদ্যোগে গেলে অন্য রকম অভিজ্ঞতা হয়। সেই অনুভূতিগুলো নেওয়ার জন্যই এই উদ্যোগ।’



