tanaka

ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২১৫৮ টাকা

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে...
প্রচ্ছদসারাদেশচীনের প্রস্তাবিত করিডোরে বাধা মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও ভারতের টেনশন

চীনের প্রস্তাবিত করিডোরে বাধা মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও ভারতের টেনশন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে চীনকে যুক্ত করে একটি নতুন অর্থনৈতিক করিডোর গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূরাজনৈতিক মানচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। তবে প্রকল্পটি যেমন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে, তেমনি নানা চ্যালেঞ্জও সামনে নিয়ে এসেছে। সেজন্য বেইজিং বহু বছর ধরেই বিকল্প করিডোর গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। মিয়ানমারের কিয়াউকফিউ গভীর সমুদ্রবন্দর, তেল-গ্যাস পাইপলাইন এবং চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর তারই অংশ।

বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনের মধ্যে এই করিডোরের এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক রুট চূড়ান্ত হয়নি। তবে কূটনৈতিক ও অবকাঠামোগত বাস্তবতা বিবেচনায় সম্ভাব্য রুট হতে পারে: কুনমিং থেকে রুইলি-মুসে-মান্দালয়-কিয়াউকফিউ-রাখাইন অঞ্চল-মংডু-বাংলাদেশ সীমান্ত-টেকনাফ-কক্সবাজার-চট্টগ্রাম বন্দর। আরেকটি বিকল্প রুট হতে পারে: কুনমিং থেকে রুইলি-মান্দালয়-রাখাইন-পালেতোয়া-মংডু-টেকনাফ-চট্টগ্রাম। এই রুটে সড়ক, রেল, সমুদ্র ও লজিস্টিকস অবকাঠামো সমন্বিত একটি ‘মাল্টিমোডাল করিডোর’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা থাকতে পারে।

সুনির্দিষ্ট রুট নির্ধারিত না হলেও সম্ভাব্য সড়কপথে কুনমিং থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার হতে পারে।

এখন বাংলাদেশকে যুক্ত করা হলে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে চীন সরাসরি বঙ্গোপসাগরে প্রবেশাধিকার পেতে পারে। চীনের কয়েকটি উদ্দেশ্য হলো– বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যিক উপস্থিতি জোরদার, ইউনান প্রদেশকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা, ভারত মহাসাগরে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করা।

চীনের অধিকাংশ সমুদ্রবাণিজ্য মালাক্কা প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে তার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে ইউনান প্রদেশকে সরাসরি বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা।  কোনো সংঘাত বা অবরোধের পরিস্থিতিতে এ পথ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।