ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত নতুন জাতীয় প্রতিরক্ষা কৌশলে চীনের প্রতি তুলনামূলকভাবে নমনীয় অবস্থান দেখা গেছে। একই সঙ্গে মিত্র দেশগুলোর প্রতি নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আরও বেশি করে নিজেরা বহনের আহ্বান জানানো হয়েছে। কৌশলপত্রে নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে একটি ‘তাত্ত্বিক ধারণা’ হিসেবে উল্লেখ করে এর গুরুত্বও কিছুটা খাটো করে দেখানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত এই নথিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে পশ্চিম গোলার্ধকে কেন্দ্র করে। এতে পানামা খাল, ‘গালফ অব আমেরিকা’ ও গ্রিনল্যান্ডের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বাণিজ্যিক প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা এসব এলাকায় প্রভাব ধরে রাখার ইঙ্গিত দেয়।
কৌশলপত্রে ইউরোপের প্রতি সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিও তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অগ্রাধিকারে ইউরোপ আর আগের মতো কেন্দ্রীয় অবস্থানে নেই। যদিও বিচ্ছিন্নতাবাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, তবুও ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে—বিশ্বের সব হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সমান গুরুত্বের নয়।
তবে ভাষায় কিছুটা নমনীয়তা থাকলেও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের প্রভাব মোকাবিলাকে এখনো গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কৌশলপত্রে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডের প্রতি হুমকিই দেশটির জন্য সবচেয়ে সরাসরি ও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
প্রথম নিউজ২৪/মহা



