গাজা পুনর্গঠনে আনুমানিক ৫০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মার্কিন শীর্ষ দূত স্টিভ উইটকফ। ট্রাম্পের এই ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনে করেন, এই বিপুল অর্থ সংগ্রহ মধ্যপ্রাচ্যের ধনী দেশগুলোর জন্য খুব একটা কঠিন হবে না। ইসরায়েলি হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উইটকফ বলেন, “গাজা পুনর্গঠনে আনুমানিক ৫০ বিলিয়ন ডলার লাগতে পারে। এটা কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে। তবে আমি মনে করি, এই অঞ্চলে তেমন অর্থ ব্যয় হয়নি।”
এদিকে, একাধিক মানবাধিকার সংস্থা দাবি করছে, গাজার ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী হওয়ায় পুনর্গঠনের ব্যয় ইসরায়েলেরই বহন করা উচিত।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত রয়েছে। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েল অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং আহত হয়েছে আরও ২৩০ জন। পাশাপাশি, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির শর্ত ৮০ বার লঙ্ঘন করেছে বলেও তারা দাবি করেছে।
ইসরায়েল জানিয়েছে, হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করায় তারা পাল্টা হামলা চালিয়েছে। তবে এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে হামাস।



