tanaka

৫২ বছর বয়সে ফের মা হওয়ার সুখবর দিলেন অস্কারজয়ী হিলারি সোয়াঙ্ক

৫২ বছর বয়সে তৃতীয় সন্তানের অপেক্ষায় রয়েছেন হলিউড অভিনেত্রী হিলারি সোয়াঙ্ক। স্বামী ফিলিপ স্নাইডার ও যমজ সন্তানদের নিয়ে নতুন অতিথির আগমন উদ্‌যাপন করেছেন দুইবারের অস্কারজয়ী এই তারকা।
প্রচ্ছদজাতীয়এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধন: যেসব কাগজপত্র লাগবে

এনআইডিতে নাম, বয়স ও ঠিকানা সংশোধন: যেসব কাগজপত্র লাগবে

জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নাম, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম কিংবা ঠিকানায় ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। তবে ভুলের ধরন, সংশোধনের পরিমাণ এবং আবেদনকারীর জমা দেওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে ভিন্নতা হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত রাখা জরুরি।

নিজের নাম সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

জাতীয় পরিচয়পত্রে নিজের নামের বানান বা আংশিক সংশোধনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ এবং নামের সঠিকতা প্রমাণ করে এমন নথি জমা দিতে হতে পারে। প্রয়োজনে পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং বিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে কাবিননামা বা স্বামী-স্ত্রীর এনআইডির অনুলিপিও চাওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে, সম্পূর্ণ নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে। এ ক্ষেত্রে এসএসসি বা সমমানের সনদ, আদালতে সম্পাদিত হলফনামা এবং জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের অনুলিপি চাওয়া হতে পারে। আবেদন যাচাইয়ের প্রয়োজনে মূল কাগজপত্র প্রদর্শন কিংবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হতে পারে।

বাবা-মায়ের নাম সংশোধনে যেসব নথি লাগবে

এনআইডিতে বাবা বা মায়ের নামের বানান, পদবি কিংবা সম্পূর্ণ নাম সংশোধনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জন্মনিবন্ধন সনদ এবং বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি নাগরিকত্ব বা চাকরিসংক্রান্ত নথিও প্রমাণ হিসেবে চাওয়া হতে পারে।

বাবা-মায়ের নামের বড় ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এসএসসি, এইচএসসি বা সমমানের সনদ কিংবা রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং বাবা-মায়ের এনআইডির অনুলিপি জমা দিতে হতে পারে। বাবা-মা মারা গিয়ে থাকলে ক্ষেত্রবিশেষে ভাই-বোনদের এনআইডির অনুলিপিও চাওয়া হতে পারে।

জন্মতারিখ সংশোধনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

জন্মতারিখ সংশোধনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বয়সের পার্থক্য বিবেচনায় নেওয়া হয়।

এসএসসি বা সমমান পাস ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে: সাধারণত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সনদ জন্মতারিখের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়। বয়সের ব্যবধান বেশি হলে মূল সনদ প্রদর্শন, অতিরিক্ত নথি জমা কিংবা ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশ নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

এসএসসি বা সমমানের নিচে শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে: জন্মনিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, নিকাহনামা কিংবা এনআইডি ইস্যুর আগের তারিখের চাকরিসংক্রান্ত নথি চাওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে বয়স নির্ধারণসংক্রান্ত চিকিৎসা প্রতিবেদনসহ অতিরিক্ত প্রমাণও জমা দিতে হতে পারে।

কোন নথি গ্রহণ করা হবে, তা সংশ্লিষ্ট আবেদন ও নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।

ঠিকানা সংশোধনে যেসব কাগজপত্র লাগবে

জাতীয় পরিচয়পত্রে বর্তমান বা স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য ঠিকানার পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ জমা দিতে হয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী নিচের নথিগুলো চাওয়া হতে পারে:

  • অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ।
  • বিদ্যুৎ, গ্যাস বা টেলিফোন বিলের কপি।
  • পৌরকর বা চৌকিদারি কর পরিশোধের রসিদ।
  • ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের প্রত্যয়নপত্র।
  • পরিবারের সদস্যের এনআইডির অনুলিপি।
  • সংশ্লিষ্ট ঠিকানার পক্ষে অন্যান্য গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র।

ভোটার এলাকা পরিবর্তন করে অন্য এলাকায় স্থানান্তরিত হতে চাইলে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হয়। তবে ভোটার এলাকা অপরিবর্তিত রেখে ঠিকানার বানান বা বাড়ি-সড়কের নম্বরের মতো তথ্য সংশোধনের প্রক্রিয়া আলাদা হতে পারে।

এনআইডি সংশোধনের আগে যা জানা জরুরি

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা সংশোধনের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। বড় ধরনের পরিবর্তন বা পরস্পরবিরোধী তথ্য থাকলে অতিরিক্ত প্রমাণ, ব্যক্তিগত শুনানি কিংবা সরেজমিন তদন্তের প্রয়োজন হতে পারে।

আবেদন করার আগে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সরকারি ওয়েবসাইট অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস থেকে হালনাগাদ নির্দেশনা জেনে নেওয়া উচিত। এতে ভুল আবেদন, প্রয়োজনীয় নথির ঘাটতি এবং প্রক্রিয়াগত জটিলতা এড়ানো সহজ হবে।