হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতির উদাহরণ টেনে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ‘গাজার মতোই ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটান’ — ট্রাম্পকে জেলেনস্কির আহ্বান
হামাস-ইসরাইল যুদ্ধবিরতির উদাহরণ টেনে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এক টেলিফোন আলাপে তিনি এই অনুরোধ জানান এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ট্রাম্পের ভূমিকায় প্রশংসা করেন।
কথোপকথনে জেলেনস্কি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ও দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, রুশ বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
জেলেনস্কির ভাষায়, দুই নেতা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছু নির্দিষ্ট চুক্তিতেও পৌঁছেছেন। ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ববর্তী কূটনৈতিক সাফল্যের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “যেভাবে আপনি সেখানে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেছেন, সেই অভিজ্ঞতা ইউক্রেনেও শান্তি আনতে কাজে লাগান।”
তিনি আরও বলেন, “রাশিয়াকে আলোচনায় আনতে হলে শক্তিশালী প্রতিরোধই একমাত্র পথ।”
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে এক উত্তপ্ত বৈঠকের পর দুই নেতার সম্পর্কের বরফ গলে। পরে সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নিউইয়র্কে তাঁদের মুখোমুখি দেখা হয়।। এক টেলিফোন আলাপে তিনি এই অনুরোধ জানান এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ট্রাম্পের ভূমিকায় প্রশংসা করেন।
কথোপকথনে জেলেনস্কি ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ও দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা জোরদারের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি জানান, রুশ বাহিনী ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
জেলেনস্কির ভাষায়, দুই নেতা ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছু নির্দিষ্ট চুক্তিতেও পৌঁছেছেন। ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ববর্তী কূটনৈতিক সাফল্যের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “যেভাবে আপনি সেখানে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেছেন, সেই অভিজ্ঞতা ইউক্রেনেও শান্তি আনতে কাজে লাগান।”
তিনি আরও বলেন, “রাশিয়াকে আলোচনায় আনতে হলে শক্তিশালী প্রতিরোধই একমাত্র পথ।”
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে এক উত্তপ্ত বৈঠকের পর দুই নেতার সম্পর্কের বরফ গলে। পরে সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে নিউইয়র্কে তাঁদের মুখোমুখি দেখা হয়।



