tanaka

গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্টকারীদের ফেরাতে চাচ্ছে একটি দল: চিফ হুইপ

দেশে পরিকল্পিতভাবে অরাজকতা সৃষ্টি করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করা ব্যক্তিদের একটি দল আবারও ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল...
প্রচ্ছদসারাদেশখুলনার সবজির বাজারে উত্তাপ

খুলনার সবজির বাজারে উত্তাপ

খুলনার সবজির বাজারে দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এখনও কমেনি। সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম নিয়ন্ত্রণে না আসায় ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করছে। বাজারে ৫০ টাকার নিচে কোনো সবজি মিলছে না। পাশাপাশি দুই সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দামও বেড়ে রয়েছে। তবে মাছের দামে সামান্য गिरতি দেখা গেছে।

রোববার (১৬ নভেম্বর) খুলনার নতুন বাজার, নিউমার্কেট ও মিস্ত্রিপাড়া বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়। সবজি বাজারে দেখা যায়—
বেগুন ৬০–৭০ টাকা, করলা ৭০–৮০ টাকা, বরবটি ৬০–৭০ টাকা, পটোল ৪০–৫০ টাকা, লালশাক ২৫–৩০ টাকা, পালংশাক ২৫–৩০ টাকা, লাউশাক ৪০–৫০ টাকা, কুমড়া ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০–৫০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৩০–৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
টমেটো ৮০–১০০ টাকা, শিম ৭০–৮০ টাকা, ফুলকপি ৯০–১০০ টাকা, কাঁচামরিচ মানভেদে ১৮০–২০০ টাকা।
পেঁয়াজ ১১০–১৩০ টাকা এবং রসুন ৮০–১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারেও বাড়তি দাম বজায় আছে। ব্রয়লার মুরগি ১৬০–১৭০ টাকা, সোনালি ২৫০ টাকা ও লেয়ার ২৬০–২৭০ টাকা কেজি। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০–১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে তুলনামূলক কিছুটা স্বস্তি। রুই আকারভেদে ২২০–২৫০ টাকা, ভেটকি ৫০০–৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০–৮০০ টাকা। তেলাপিয়া ১৩০–১৬০ টাকা, পাবদা ৩০০–৩৫০ টাকা, পাঙাশ ১৬০–১৮০ টাকা, কাতল ২৪০–২৫০ টাকা এবং ছোট মাছ ৩০০–৪০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

নতুন বাজারের সবজি ব্যবসায়ী শেখ হাফিজ জানান, গত দুই সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কেজিতে ৫–১০ টাকা কমেছে। তবে পাইকারিতে ফের দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ছে। তার দাবি, “বেশি দাম হওয়ায় অনেক সবজি তোলা যাচ্ছে না। তবে এ সপ্তাহে দাম আরও কিছুটা কমতে পারে।”

মিস্ত্রিপাড়া বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আজমল শেখ বলেন, “শীত শুরু হয়েছে, বাজারে এখন প্রচুর মাছ আসে। তাই বড়-ছোট সব মাছের দামই কমেছে। সামুদ্রিক মাছ উঠলে দাম আরও কমবে।”

নতুন বাজারের ক্রেতা মিরাজুল ইসলাম বলেন, “মাংসের বাজারে দাম মোটামুটি স্থিতিশীল। সবজির দাম কিছুটা কমলেও খুব একটা স্বস্তি নেই। মাছের দাম সামান্য কমেছে, আরও কমলে ভালো হতো।”

গৃহবধূ মিনা খাতুনের অভিযোগ, “দোকানদাররা বলে দাম কমেছে, কিন্তু প্রতিদিন বাজারে গিয়ে তেমন পরিবর্তন দেখি না। শীতের সবজির দামই লাগামের বাইরে। আগে যে লাউ ৩০ টাকায় পেতাম, সেটা এখন ৬০ টাকা হয়েছিল—এখন কিছুটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু বেশিরভাগ সবজির দামই এখনও বেশি।”