tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিক‘খুব শিগগিরই শেষ হবে যুদ্ধ’, আশাবাদ ট্রাম্পের

‘খুব শিগগিরই শেষ হবে যুদ্ধ’, আশাবাদ ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। খবর সামা টিভি অনলাইনের।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে এ সংঘাত চালিয়ে যেতে পারবে না।

তিনি বলেন, “আমার মনে হয় এটি খুব শিগগিরই শেষ হবে। আমি মনে করি না তারা আর বেশি দিন এভাবে চলতে পারবে।”

হরমুজ প্রণালি নিয়ে সমঝোতার অগ্রগতি

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে কৌশলগত এই জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

ইরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে আলোচনায় ‘মৌলিক সমঝোতা’ হয়েছে এবং উভয় পক্ষ চূড়ান্ত চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে জাহাজ চলাচলের রুট নির্ধারণে দুই দেশ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

ইরান সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হওয়ার কথা অস্বীকার করলেও জানিয়েছে, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের অবস্থান তাদের কাছে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমন কোনো ব্যবস্থা তারা মেনে নেবেন না, যাতে ইরান বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে বা প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে বাধ্যতামূলক ফি আদায়ের সুযোগ পায়।

বৃহত্তর সমঝোতার সম্ভাবনা

বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি চুক্তি হলেও তা পুরো সংঘাতের অবসান ঘটাবে না। তবে এটি যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান নিয়ে নতুন করে আলোচনার পথ সুগম করতে পারে।

এদিকে সংঘাত চলমান থাকায় ইরানজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানী তেহরানে নজরদারি ও আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা অভিযানও বেড়েছে।

অস্ত্র সংকটের খবর নাকচ

যুক্তরাষ্ট্রে অস্ত্র ও গোলাবারুদের ঘাটতি নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনও উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে এবং দেশটি সামরিকভাবে শক্ত অবস্থানে আছে।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি। আমাদের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও মন্তব্য করেন।