tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদজাতীয়কৃষকদের ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ

কৃষকদের ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ

দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র ও যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী তেলবাহী জাহাজগুলো নিয়মিত আসছে, তাই এপ্রিল মাসে তেলের কোন সংকট হবে না। কৃষকদের ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, দেশের বার্ষিক ডিজেল চাহিদা প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টন। অকটেন ও পেট্রোলের চাহিদা মাসে প্রায় ৭০ হাজার টন। দৈনিক হিসাবে পেট্রোল-অকটেন লাগে প্রায় ১,২০০ টন এবং ডিজেল লাগে প্রায় ১,৪০০ টন। “আমাদের পর্যাপ্ত মজুত আছে, মাসিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আমদানি চলছে, সব শিপ সময়মতো পৌঁছাচ্ছে, তাই কোনো অসুবিধা হবে না,” তিনি বলেন।

পাম্পে তেল না পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, মাঝে মাঝে সরবরাহে বিঘ্ন হচ্ছে কারণ মানুষ এখনও প্যানিক বায়িং করছে। তবে নিয়মিত সরবরাহে কোনো সংকট নেই। রাশিয়া থেকে তেল আমদানির অনুমতি সংক্রান্ত যুক্তরাষ্ট্রের চিঠি এখনও আসেনি।

অবৈধ মজুত ও শাস্তি সংক্রান্ত প্রশ্নে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, মন্ত্রী ইতিমধ্যেই কঠোর বার্তা দিয়েছেন। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে এবং যেকোনো কোম্পানির দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কৃষকদের ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে তিনি জানান, মন্ত্রী জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্দেশনা দিয়েছেন। ইউনিয়ন বা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তালিকা অনুযায়ী কৃষকদের ডিজেল প্রদান করা হচ্ছে।

ভিআইপি পাম্পে সাধারণের চেয়ে বেশি তেল দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এমন কোনো সুযোগ বর্তমানে নেই।

জ্বালানি সংকট না থাকলেও তিনি সবাইকে তেলের ব্যবহার সাশ্রয়ী করার পরামর্শ দিয়েছেন। লোডশেডিং সম্পর্কিত প্রশ্নে তিনি বলেন, এটি বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের বিষয়। তবে জ্বালানি বিভাগ তাদের চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করছে।

এদিকে, দেশে অবৈধভাবে মজুত করা ৩,৭২,৩৮৮ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল সর্বাধিক, ২,৭১,৩৭৪ লিটার, অকটেন ৩০,৯৬০ লিটার এবং পেট্রোল ৭০,৫৪ লিটার। অভিযান অবৈধ মজুত, পাচার ও কৃত্রিম সংকট রোধে পরিচালিত হয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, বাজারে জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখা ও ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।