tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদ দমন, ডিপ্লোমেটিক এরিয়ার নিরাপত্তা জোরদার এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘স্পিয়ার (এসপিইএআর)’ কর্মসূচির আওতায় যৌথ উদ্যোগ গ্রহণসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ইলেকট্রনিক ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন (ইএনভি) কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং শুরু থেকেই সন্ত্রাসবাদ দমন ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা করে আসছে। জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসসহ সমগ্র কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা সুসংহত করতে ‘সোশ্যাল প্রোগ্রাম ফর অ্যাম্ব্যাসি অ্যাগমেনটেশন অ্যান্ড রেসপন্স’ বাস্তবায়নে তারা আগ্রহী। এজন্য দ্রুত সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্মতি নিয়ে দ্রুত কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন রোধে বাংলাদেশে ইএনভি কর্মসূচি চালু করা হলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ ‘গ্রিন জোনে’ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তিনি জানান, ২০১০ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস দমন সহযোগিতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা থেকে ডিআইজি পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। তবে অবসর ও বদলিজনিত কারণে এ উদ্যোগ প্রত্যাশিত ফল পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে শিগগিরই একটি সভা বা কর্মশালা আয়োজনের নির্দেশ দেন।