tanaka

ডিসেম্বর ঘিরে রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা চলছে নানা হিসাব-নিকাশ

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত শব্দগুলোর একটি ‘ডিসেম্বর’। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে সরে গেল দুই পক্ষ, সোমবার ফের অবস্থান

ইসলামী ব্যাংকের সামনে থেকে সরে গেল দুই পক্ষ, সোমবার ফের অবস্থান

রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে মুখোমুখি অবস্থান নেওয়া সচেতন গ্রাহক ফোরাম ও চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মসূচি শেষ করে সরে গেছেন। রোববার দুপুর ১টার দিকে দুই পক্ষই স্থান ত্যাগ করে। তবে আগামীকাল সোমবার আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে তারা।

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ব্যাংকপাড়ায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে জন্য ঘটনাস্থলে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

রোববার সকাল ১০টা থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে দুই পক্ষের কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একদিকে ইসলামী ব্যাংককে এস আলম গ্রুপের প্রভাবমুক্ত রাখা, ব্যাংকে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ করেন সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। অন্যদিকে ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন-অর-রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, যেকোনো আন্দোলন সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে এমন স্থানে কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যেখানে মানুষের চলাচল কম এবং জনদুর্ভোগও কম হয়।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংককে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের কর্মসূচি চলছে। চাকরিচ্যুত ব্যাংক কর্মকর্তাদের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে ব্যাংকের ভেতরে গিয়েছিল। তারা স্মারকলিপি দিয়ে বেরিয়ে আসার পর দিনের কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা ছিল।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ এক জায়গায় জমায়েত হলে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে অতিরিক্ত বিশৃঙ্খলা ও হতাহতের আশঙ্কা থাকে। এ কারণে পুলিশ এ ধরনের বড় জমায়েত নিরুৎসাহিত করছে।

ইসলামী ব্যাংককেন্দ্রিক এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্প্রতি কোনো রাজনৈতিক ঘটনা কিংবা আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিসি হারুন বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, ব্যাংকপাড়ায় যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।