ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচনায় ব্যর্থ হলে ইরেলের সম্ভাব্য হামলায় সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এই আশ্বাস গত ডিসেম্বর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি শক্তিশালী করছে।
তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছিলেন, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর ইসরাইলি হামলায় ওয়াশিংটন সমর্থন দেবে। মার্কিন গণমাধ্যমও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনে এখন আলোচনা সীমাবদ্ধ নয় শুধু ইসরাইল হামলা চালাতে পারবে কি না— বরং প্রযুক্তিগত ও কূটনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে সহায়তা করতে পারে, সেটিই মূল ফোকাস।
প্রস্তাবিত সহযোগিতার মধ্যে রয়েছে ইসরাইলি বিমানগুলোর জন্য আকাশে জ্বালানি ভরা, এবং প্রতিবেশী দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করার অনুমতি নিশ্চিত করা। তবে জর্ডান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা ইরানে হামলার জন্য আকাশসীমা ব্যবহার দেবে না।
এদিকে, ওয়াশিংটন ইতিমধ্যে অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের দ্বিতীয় দফার আলোচনা আগামী মঙ্গলবার জেনেভায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ওমানের প্রতিনিধি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবেন।



