ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
বিবৃতিতে জানানো হয়, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। তবে বিধ্বস্ত বিমানে থাকা ক্রু সদস্যদের কেউ নিহত হয়েছেন কি না বা কেউ জীবিত আছেন কি না—এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
সেন্টকম জানায়, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ বন্ধুপ্রতিম আকাশসীমায় দুর্ঘটনার শিকার হয়। বর্তমানে ওই এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, ঘটনায় দুটি উড়োজাহাজ জড়িত ছিল। এর মধ্যে একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হলেও অন্যটি নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরে অবতরণ করেছে। সেন্টকমের দাবি, শত্রুপক্ষের হামলা বা ভুলবশত নিজেদের বাহিনীর গুলিবর্ষণ (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটেনি।
তবে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স’ দাবি করেছে, পশ্চিম ইরাকে মার্কিন বাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজ তারা ‘যথাযথ অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে’ ভূপাতিত করেছে।
মার্কিন বিমান বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, কেসি-১৩৫ ধরনের রিফুয়েলিং উড়োজাহাজে সাধারণত তিন থেকে চারজন ক্রু সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে একজন পাইলট, একজন কো-পাইলট এবং একজন ‘বুম অপারেটর’ থাকেন, যার প্রধান দায়িত্ব হলো আকাশে থাকা অন্য উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ করা। বিশেষ কিছু মিশনের ক্ষেত্রে দলে একজন নেভিগেটরও যুক্ত থাকতে পারেন।



