tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিআন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই: জামায়াত আমির

আন্দোলন ছাড়া বিকল্প নেই: জামায়াত আমির

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোট ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা প্রতিফলিত না হওয়ায় এখন আন্দোলনই একমাত্র পথ। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে তিনি জানান।

বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ সংক্রান্ত বিরোধীদলীয় নোটিশের ওপর প্রায় দুই ঘণ্টার আলোচনা শেষে স্পিকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “আমরা সংসদের ভেতরেই সমাধান চেয়েছিলাম। জনগণের চূড়ান্ত রায়কে সম্মান জানাতে চেয়েছি। কিন্তু স্পিকার ও সরকারি দল সে পথে এগোয়নি। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করায় আমরা ওয়াকআউট করেছি।”

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, অতীতে অনুষ্ঠিত তিনটি গণভোটে জনগণের রায় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়েছিল। কিন্তু এবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। এমনকি সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষের মধ্যে ঐকমত্য থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষিত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা সংসদ বর্জনের কথা বলিনি। ওয়াকআউট করেছি, কিন্তু সংগ্রাম থেকে সরে দাঁড়াইনি। জনগণের রায় বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব কর্মসূচি নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ১১টি দল এ বিষয়ে আলোচনা করছে এবং শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়; বরং দেশের রাজনৈতিক কাঠামো ও সংবিধান সংস্কারের স্বার্থে, এবং সর্বোপরি জনগণের রায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।

এর আগে, একই দিন সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতার নোটিশের ওপর আলোচনা শেষে স্পিকারের অবস্থানের প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী সংসদ সদস্যরা ওয়াকআউট করেন। এ সময় স্পিকার জানান, একটি মুলতবি প্রস্তাবের মাধ্যমে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে এবং সেখানে বিস্তারিত জবাব দেওয়া হবে। এরপরও বিরোধীদল ওয়াকআউটের সিদ্ধান্তে অটল থাকে।