ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তির সময় যে অবস্থানে ইরান ছিল, বর্তমানে দেশটি তার চেয়ে অনেক বেশি উন্নত প্রযুক্তি ও জ্ঞান অর্জন করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন কোনো সমঝোতা অতীতের চুক্তির মতো হবে না; বরং তা বর্তমান বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়েই গড়ে উঠবে।
গ্রোসির মতে, চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে যে কোনো নতুন চুক্তি হলে তা যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে তেলের দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবারের লেনদেনে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছেছে। তবে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম সামান্য কমে ৯১ দশমিক ৯৯ ডলারে নেমে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এবং আঞ্চলিক উত্তেজনার গতিপ্রকৃতি এখন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অন্যতম প্রধান নিয়ামক হয়ে উঠেছে।



