tanaka

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ইপিএ চূড়ান্ত করার অগ্রগতি চান ব্যবসায়ীরা

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফর ঘিরে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) চূড়ান্ত করার অগ্রগতি, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানি সম্প্রসারণের প্রত্যাশা করছেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা।
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকফ্রান্সের দাঙ্গা ও ভারতের বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা, ফক্স নিউজের প্রতিবেদন

ফ্রান্সের দাঙ্গা ও ভারতের বিক্ষোভ একই সূত্রে গাঁথা, ফক্স নিউজের প্রতিবেদন

ফ্রান্সে সংঘটিত সহিংস দাঙ্গা এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের বিক্ষোভের মধ্যে যোগসূত্র থাকার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ। সংবাদমাধ্যমটির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষোভ ছড়িয়ে দেওয়া এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা উসকে দিতে একাধিক উগ্রপন্থী ও বামপন্থী গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফক্স নিউজের জ্যেষ্ঠ সম্পাদক আসরা নোমানির করা ওই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিক্ষোভ সংগঠিত ও সমন্বয়ের সঙ্গে নয়টি দেশের ১০১টি সংগঠনের একটি নেটওয়ার্ক যুক্ত। প্রতিবেদনে এই নেটওয়ার্ককে ‘রেড-গ্রিন প্রটেস্ট ইকোসিস্টেম’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইউরোপের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে এই নেটওয়ার্কের ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

‘গ্লোবাল কেওস ইনকরপোরেটেড গ্রোস টু ১০১ গ্রুপস’ শিরোনামের প্রতিবেদনে ফ্রান্সভিত্তিক সংগঠন ‘ইন্ডিয়ান অ্যালায়েন্স প্যারিস’ (আইএপি)-এর নাম বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্স ও ভারতের বিক্ষোভের বার্তাগুলোর মধ্যে সংযোগ তৈরিতে কাজ করছে আইএপি। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনভিত্তিক প্রগতিশীল সামাজিক সংগঠন ‘দ্য পিপলস ফোরাম’-এর সঙ্গে সংগঠনটির সরাসরি অংশীদারত্ব রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ফ্রান্স, স্পেন ও ভারতের আন্দোলন নিয়ে আলোচনা

প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘প্রোগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল’-এর একটি সাম্প্রতিক ব্রিফিংয়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। গত ১৬ অক্টোবর নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে সংস্থাটি ফ্রান্স, স্পেন, ভারত ও আলবেনিয়ায় চলমান বিক্ষোভগুলোকে একই আলোচনায় এনে প্রশ্ন তোলে, নতুন এই আন্দোলনগুলো নিজেদের দাবি আদায়ে সুসংগঠিত শক্তিতে পরিণত হতে পারবে কি না।

নিবন্ধে সংস্থাটি জানায়, সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনগুলোকে সমর্থন দেওয়া এবং তাদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করাই তাদের কাজের অন্যতম লক্ষ্য।

ফক্স নিউজের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, বিভিন্ন প্রচারমাধ্যম ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইউরোপের বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রচার ও সমর্থন পাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ‘ব্রেক থ্রু নিউজ’, ‘কোড পিঙ্ক’ এবং ‘পার্টি ফর সোশালিজম অ্যান্ড লিবারেশন’-এর মতো সংগঠনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সাংহাইয়ে বসবাসরত মার্কিন বংশোদ্ভূত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা নেভিল রয় সিংহাম এসব সংগঠনকে নিয়মিত অর্থায়ন ও নীতিগত সহায়তা দিয়ে থাকেন।

ফ্রান্স, স্পেন ও ভারতের বিক্ষোভ নিয়ে জোডি ইভানসের বক্তব্য

গত ১৪ অক্টোবর ‘ব্রেক থ্রু নিউজ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেভিল রয় সিংহামের স্ত্রী এবং ‘কোড পিঙ্ক’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা জোডি ইভানস এসব আন্দোলনের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মানুষ যেন ফ্রান্স, স্পেন ও ভারতের আন্দোলনগুলোর দিকে তাকিয়ে নিজেদের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তোলে—তারা কোথায় আছে এবং কেন রাস্তায় নামছে না।

অন্যদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তথ্য পর্যবেক্ষণকারী অ্যাকাউন্ট ‘ডিসইনফো ল্যাব’-এর একটি পোস্টে প্যারিসভিত্তিক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংবাদিক এবং আইএপির সম্পাদক জয় ব্যানার্জির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক যোগাযোগ নিয়ে দাবি করা হয়েছে।

পোস্টটিতে বলা হয়, জয় ব্যানার্জি শ্রমিক সংগঠন ‘সিজিটি’র সাবেক প্রতিনিধি ছিলেন এবং ফরাসি কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।