জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার দিন আজ বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।
তবে বুধবার রাত থেকে রাজধানীসহ দেশের কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্নভাবে যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সড়কে তেমন কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি দেখা যায়নি। বরং রাজধানীর অফিসপাড়া হিসেবে পরিচিত মতিঝিল, দিলকুশা, পল্টন, দৈনিক বাংলা ও ফকিরাপুল এলাকায় ছিল স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্য।
ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও লেনদেন চলছে স্বাভাবিকভাবে। সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় গ্রাহকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কর্মকর্তারা জানান, দিনের শুরুতে গ্রাহক কিছুটা কম থাকলেও সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে লেনদেনের পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক।
দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের এক গ্রাহক সাব্বির আহমেদ বলেন, “ভাবছিলাম লকডাউনের কারণে হয়তো ভিড় কম থাকবে, কিন্তু এসে দেখি সব স্বাভাবিক। খুব অল্প সময়েই কাজ শেষ করতে পেরেছি।”
অন্যদিকে, সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের গ্রাহক নাজমুল ইসলাম জানান, “আজ টাকার প্রয়োজন ছিল, তাই এসেছি। পরিবার থেকে শুরুতে বের হতে নিষেধ করেছিল, আমিও একটু শঙ্কায় ছিলাম। কিন্তু বাইরে এসে দেখি সবাই স্বাভাবিকভাবে নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত।”
লেনদেনের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সোনালী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মাহমুদ সোহেল বলেন, “কোথাও লকডাউনের প্রভাব নেই। সকাল থেকেই গ্রাহকরা নিয়মিতভাবে ব্যাংকে আসছেন, লেনদেনও নির্বিঘ্নে চলছে। বলা যায়, অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করছে।”



