দখলদার ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি বন্দীদের বহনকারী কয়েকটি বাস অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লায় পৌঁছেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সরাসরি সম্প্রচারে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাসগুলো দক্ষিণ ইসরাইলের নেগেভ কারাগার থেকে রওনা হয়ে প্রথমে গাজায় যায়, পরে রামাল্লায় পৌঁছায়। বন্দিদের স্বাগত জানাতে গাজা এবং রামাল্লার বিভিন্ন স্থানে পরিবারগুলো জড়ো হয়। তবে আগের মতো উৎসবমুখর পরিবেশ এবার অনুপস্থিত। অপেক্ষমাণ স্বজনদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা। অভিযোগ উঠেছে, বন্দি বিনিময় চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় মুক্তিপ্রাপ্তদের তালিকা রাতভর একাধিকবার পরিবর্তিত হয়েছে, যার ফলে অনেক পরিবার অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
দুই বছর ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধের অবসান ঘটেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায়। যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে হামাস গাজায় বন্দি থাকা সবশেষ ২০ ইসরায়েলি জিম্মিকে সোমবার মুক্তি দেয়।
ইসরাইলের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, জিম্মিদের দুই ধাপে মুক্তি দেওয়া হয়— প্রথমে ৭ জন এবং পরে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আরও ১৩ জনকে আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, হামাসের হাতে থাকা জীবিত সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং বিনিময়ে ইসরাইল প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। এই বিনিময় প্রক্রিয়ার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোমবার সকালে এয়ার ফোর্স ওয়ানে চড়ে ইসরাইলে অবতরণ করেন।



