আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনেই করতে হবে। তিনি বলেন, ‘‘এই আইনটি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের নির্দিষ্ট কিছু অপরাধ বিচারের জন্য। এই অপরাধগুলো সাধারণ আইনে কিংবা বাহিনীগুলোর নিজস্ব আইনেও অন্তর্ভুক্ত নয়। সেজন্যই এই আইনের মাধ্যমেই তাদের বিচার করতে হবে।’’
রোববার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনটি সংবিধান স্বীকৃত একটি আইন, যা সংবিধানের মাধ্যমেই প্রণীত হয়েছে।
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, ‘‘আইনের একটি নির্দিষ্ট গতি আছে। গ্রেপ্তারের পর একজন আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতেই হবে, এটি সংবিধান, ট্রাইব্যুনাল আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধিতে পরিষ্কারভাবে বলা আছে। আদালতের নির্দেশ ছাড়া কাউকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটকে রাখা যাবে না।’’
সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল—বর্তমানে সেনা হেফাজতে থাকা ১৫ জন সেনা সদস্যের অবস্থান কী? জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ জানায়নি যে তারা আটক রয়েছে। কেবল মিডিয়ার খবরে বিষয়টি এসেছে, যা আমরা আমলে নিচ্ছি না। যদি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, তাহলে অবশ্যই আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে হবে।’’
তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।



