tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য কারা জানাল ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অযোগ্য কারা জানাল ইসি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্যতার পরিধি আরও বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ঋণখেলাপির গ্যারান্টার, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি ও ভূমি করের বিলখেলাপি, এমপিওভুক্ত শিক্ষক, লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এবং দ্বৈত নাগরিকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

বুধবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভায় এ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় গৃহীত সুপারিশগুলো দ্রুত স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে ইসি।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, বিদ্যমান স্থানীয় সরকার আইনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সমানভাবে উল্লেখ নেই। এ কারণে সব আইনে বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা যুক্ত করার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

যাদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকবে না

ইসির প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ব্যক্তিরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না—

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষক।
  • লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি।
  • ব্যক্তিগতভাবে ঋণখেলাপি না হলেও কোনো ঋণের গ্যারান্টার হয়ে খেলাপির দায়ে থাকা ব্যক্তি।
  • কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্ণধার হিসেবে প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি সেবা বা করের বকেয়া বিল থাকা ব্যক্তি।
  • গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও ভূমি করের বিলখেলাপি।
  • দ্বৈত নাগরিক।

সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইন সংশোধনের সুপারিশ দ্রুত স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আচরণ বিধিমালাও সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া ভোটার তালিকা প্রণয়ন প্রক্রিয়া নিয়েও কমিশন আলোচনা করেছে। বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হয় এবং ১৮ বছর পূর্ণ হলেই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।

তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরও কমানো সম্ভব কি না, তা নিয়ে কমিশন পর্যালোচনা করছে। এসএসসি, অষ্টম শ্রেণি নাকি প্রাথমিক স্তর—কোন পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, সে বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।