সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, পরিচালন ব্যয় ও নীতিগত সমন্বয়ের কারণ দেখিয়ে দেশের গণপরিবহনে নতুন ভাড়া কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে ভাড়া বাড়লেও যাত্রীসেবার মান কতটা উন্নত হচ্ছে, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
প্রতিদিন রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র প্রায় একই রকম; গরমে ফ্যান অচল, বাসে পর্দার অভাব, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ভাঙাচোরা আসন। সব মিলিয়ে সেবার মান নিয়ে যাত্রীদের অসন্তোষ বাড়ছে। ফলে ভাড়া বৃদ্ধি ও সেবার মানের মধ্যে ভারসাম্য আছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে গণপরিবহন খাতের সার্বিক পরিস্থিতি, যাত্রীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা, মালিকপক্ষের ভূমিকা এবং নীতিগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীর সঙ্গে কথা বলেছে জাগো নিউজ। তিনি বর্তমান ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা, যাত্রী প্রতিনিধিত্বের অভাব এবং সেবার মান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক মো. আশিকুজ্জামান আশিক।মোজাম্মেল হক: সামগ্রিকভাবে যদি বলি, যাত্রীসেবার মান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। আমরা নিয়মিত বিভিন্ন রুট ও পরিবহনের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করি এবং গণমাধ্যমেও এসব বিষয় তুলে ধরি। কিন্তু সমস্যা হলো এগুলো অনেকটা দীর্ঘদিনের চর্চিত দুর্বলতা, যা সহজে কাটিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। শহরাঞ্চলে যাত্রীসংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু সেই অনুপাতে সেবার মান বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন ঘটছে না। ফলে যাত্রীরা প্রতিদিনই নানা ধরনের ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।



