tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদসর্বশেষ সংবাদঅর্থনীতিঅনলাইন ডেলিভারিতে লাখো তরুণের ভাগ্যবদল

অনলাইন ডেলিভারিতে লাখো তরুণের ভাগ্যবদল

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জনপ্রিয় পেশা হয়ে উঠছে অনলাইন ডেলিভারি সেবা। তরুণদের জন্য এটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ। তারা পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করছেন। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কাজ করে অনেকে মাসে আয় করছেন ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

অনেকে আবার মাসে লাখ টাকাও আয় করছেন। নিজেদের পড়ালেখার খরচ মেটানোর পাশাপাশি পরিবারকেও করছেন সহায়তা। ই-কমার্স ও লজিস্টিক খাতের দ্রুত সম্প্রসারণে এখন লাখো তরুণের জীবিকা প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করছে অনলাইন ডেলিভারি সেবার এই ক্রমবর্ধমান খাতের ওপর।উত্তরার একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আকাশ (১৭)। পড়ালেখার পাশাপাশি পাঠাওয়ে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করেন। আকাশ বলেন, ‘বাবার এখন আয় নেই। আমাদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে ওনার কষ্ট হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ডেলিভারিম্যানের কাজ করছি। মাসে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। এ টাকা দিয়ে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবারেও কিছু টাকা দিতে পারি।’

প্রায় একই রকম কথা বলেন নেত্রকোনার ইউসুফ (২১)। এইচএসসি পাসের পর এখন জাপানিজ ভাষা শিখছেন। ডেলিভারি সার্ভিস ম্যান হিসেবে কাজ করছেন দেশের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজে। ইউসুফের ভাষায়, ‘সাইকেলে করে প্রতিদিন ডেলিভারি দিই। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করি। মাসে ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করছি। মা-বাবাকেও কিছু টাকা দিতে পারছি। নিজের খরচও চালাতে পারছি।’উত্তরার একটি কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আকাশ (১৭)। পড়ালেখার পাশাপাশি পাঠাওয়ে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করেন। আকাশ বলেন, ‘বাবার এখন আয় নেই। আমাদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে ওনার কষ্ট হচ্ছে। বাধ্য হয়ে ডেলিভারিম্যানের কাজ করছি। মাসে ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। এ টাকা দিয়ে নিজের লেখাপড়ার খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবারেও কিছু টাকা দিতে পারি।’

প্রায় একই রকম কথা বলেন নেত্রকোনার ইউসুফ (২১)। এইচএসসি পাসের পর এখন জাপানিজ ভাষা শিখছেন। ডেলিভারি সার্ভিস ম্যান হিসেবে কাজ করছেন দেশের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজে। ইউসুফের ভাষায়, ‘সাইকেলে করে প্রতিদিন ডেলিভারি দিই। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত কাজ করি। মাসে ১৬ থেকে ২০ হাজার টাকা আয় হয়। পড়ালেখার পাশাপাশি কাজ করছি। মা-বাবাকেও কিছু টাকা দিতে পারছি। নিজের খরচও চালাতে পারছি।’