tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক আকার ধারণ করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে, আর বাকি ৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

মাঠপর্যায়ের তথ্য বলছে, সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত আইসোলেশন বা পৃথকীকরণ ব্যবস্থার অভাব। আক্রান্ত শিশুদের মাধ্যমেই রোগটি দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে শয্যা সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে হাম আক্রান্ত শিশুদের সাধারণ রোগীদের সঙ্গে রাখতে হচ্ছে, যা নতুন সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত কার্যকর আইসোলেশন নিশ্চিত না করা গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫৫৯ জনে। এর মধ্যে ৪ হাজার ২৩১ জনের দেহে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে ১৯ হাজার ৭০৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১৬ হাজার ৫২৭ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২১৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ শিশু। রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। সময়মতো টিকা না নেওয়া এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার কারণে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। শিশুদের জ্বর ও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া এবং আক্রান্তদের আলাদা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।