tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদখেলাসাফজয়ী যুবাদের প্রশংসায় ক্রিকেটাররা

সাফজয়ী যুবাদের প্রশংসায় ক্রিকেটাররা

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নির্ধারিত সময় গোলশূন্য ড্রয়ের পর রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে ভারতকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। চার বছর আগের হারের মধুর প্রতিশোধও নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ২০২২ সালে এই টুর্নামেন্টে ভারতের কাছে হেরে শিরোপা বঞ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশ। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর যুবাদের এই অর্জনে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন জাতীয় দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটাররা।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন। নিঃসন্দেহে তোমরা আবারও বাংলাদেশকে গর্বিত করেছ।” পাকিস্তান সুপার লিগে রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজের হয়ে খেলতে থাকা লেগস্পিনার রিশাদ হোসেনও যুবাদের অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, “সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে অভিনন্দন।”

একই লিগে পেশোয়ার জালমির হয়ে খেলা পেসার শরীফুল ইসলাম লিখেছেন, “সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের জন্য বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলকে জানাই বিশাল অভিনন্দন। এটি দাপুটে জয় এবং দেশের ফুটবলের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত।”

এছাড়া সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাসও অভিনন্দন জানিয়েছেন। মাশরাফি সংক্ষিপ্ত বার্তায় লিখেছেন, “অভিনন্দন।” মুশফিক লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, চ্যাম্পিয়ন! তরুণদের অভিনন্দন।” তামিম ইকবাল লিখেছেন, “অভিনন্দন বাংলাদেশ, সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়ন।” তাসকিন আহমেদও লিখেছেন, “রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে ভারতের বিপক্ষে জয়—দারুণ পারফরম্যান্স।” লিটন দাসের ভাষায়, “দক্ষিণ এশিয়ার চ্যাম্পিয়ন। দারুণ খেলেছে বাংলাদেশ দল। আমাদের গর্বিত করার জন্য ধন্যবাদ।”

মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। সানি দাসের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পান আব্দুল রিয়াদ ফাহিম। ম্যাচজুড়ে দুই দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। প্রথমার্ধে রোনানের ক্রস থেকে মিঠু চৌধুরীর হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, আর দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ বাড়ালেও রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি কোনো দল।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে নায়ক বনে যান গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন। বাংলাদেশের হয়ে মুর্শেদ আলী, চন্দন রায় ও আব্দুল রিয়াদ ফাহিম টানা তিনটি শট থেকে গোল করেন। ভারতের হয়ে মোহাম্মদ আরবাস, স্যামসন ও বিশাল যাদব গোল করলে সমতা ফেরে ৩-৩ এ।

চতুর্থ শটে স্যামুয়েল রাকসামের শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। তবে পঞ্চম শটে ভারতের ওমং দোদুম বাইরে মারলে সুযোগ আসে বাংলাদেশের সামনে। শেষ শটে রোনান সুলিভান পানেনকা কিকে জাল খুঁজে নিলে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসে পুরো দল। অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী বলেন, “চার বছর ধরে এই দিনের অপেক্ষায় ছিলাম। আল্লাহ আমাদের সেই সাফল্য দিয়েছেন। আমরা ২০ কোটি মানুষের স্বপ্ন ও বিশ্বাস রক্ষা করতে পেরেছি।”